বাংলা ট্রিবিউন
কুমিল্লার আট আসনে নৌকা-ঈগলের লড়াইয়ের আভাস, নির্ভার দুই মন্ত্রী

কুমিল্লার আট আসনে নৌকা-ঈগলের লড়াইয়ের আভাস, নির্ভার দুই মন্ত্রী

কুমিল্লার ১১টি সংসদীয় আসনের মধ্যে আটটিতে নৌকার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র ১২ প্রার্থী। তাদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে বলে মনে করছেন দলীয় নেতাকর্মী ও ভোটাররা। বাকি তিনটি আসনে বড় প্রতিপক্ষ না থাকায় নৌকার বিজয় নিয়ে নির্ভার আছেন সাবেক ও বর্তমান তিন মন্ত্রী। তারা হলেন কুমিল্লা-৯ আসনের প্রার্থী স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, কুমিল্লা-১০ আসনে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এবং কুমিল্লা-১১ আসনের সংসদ সদস্য সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক। কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি ও তিতাস) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আট প্রার্থী। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মো. আবদুস সবুর। তার সঙ্গে ঈগল প্রতীক নিয়ে লড়ছেন উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসম্পাদক নাঈম হাসান। নাঈম এই আসনের আওয়ামী লীগের সাবেক প্রার্থী প্রয়াত হাসান জামিল সাত্তারের ছেলে। বাকি ছয় জন হলেন—জাতীয় পার্টির আমির হোসেন (লাঙ্গল), জাসদের বড়ুয়া সনোজিত ধীমান (মশাল), ইসলামী ঐক্যজোটের মো. নাছির উদ্দিন (মিনার), সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মো. জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া (ছড়ি), তরিকত ফেডারেশনের মো. জাকির হোসেন (ফুলের মালা) ও তৃণমূল বিএনপির সুলতান জিসান উদ্দিন (সোনালী আঁশ)। এর মধ্যে নৌকার সঙ্গে ঈগলের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা আছে বলে মনে করছেন দলীয় নেতাকর্মী ও ভোটাররা। কুমিল্লা-২ (হোমনা ও মেঘনা) আসনে প্রার্থী ১০ জন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের বর্তমান সংসদ সদস্য সেলিমা আহমাদ ওরফে মেরী নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন। তার সঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন হোমনা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. আবদুল মজিদ (ট্রাক) এবং মেঘনা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শফিকুল আলম (ঈগল)। বাকি সাত প্রার্থী হলেন—বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির আবু ছালাম (একতারা), বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের আবদুস সালাম (মোমবাতি), জাতীয় পার্টির এটিএম মঞ্জুরুল ইসলাম (লাঙ্গল), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের সুলতান মহিউদ্দিন (বটগাছ), ইসলামী ঐক্যজোটের মো. আলতাফ হোসাইন (মিনার), তৃণমূল বিএনপির মো. মাঈনুদ্দিন (সোনালী আঁশ) ও সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের সিরাজুল টম সুডেন (ছড়ি)। এখানে নৌকার সঙ্গে ট্রাক ও ঈগলের লড়াইয়ের সম্ভাবনা দেখছেন ভোটাররা। কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে নির্বাচন করছেন ১১ জন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন নৌকা প্রতীকে লড়ছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ঈগল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম। বাকি ৯ প্রার্থী হলেন—বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির ফোরকান উদ্দিন (কুঁড়েঘর), কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের বশির আহম্মদ (গামছা), জাকের পার্টির বেনজির আলম অনন (গোলাপ ফুল), তরিকত ফেডারেশনের মনিরুজ্জামান (ফুলের মালা), গণফ্রন্টের শরিফুল আলম চৌধুরী (মাছ), বাংলাদেশ কংগ্রেসের আমিনুল ইসলাম (ডাব), জাতীয় পার্টির আলমগীর হোসেন (লাঙ্গল), সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের বাছির মিয়া (ছড়ি) ও ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের সাজ্জাদুল হোসাইন (চেয়ার)। এই আসনে নৌকার সঙ্গে ঈগলের লড়াইয়ের সম্ভাবনা দেখছেন দলীয় নেতাকর্মী ও ভোটাররা। কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনে ১২ জন প্রার্থী। আওয়ামী লীগের প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য নৌকা প্রতীকের রাজী মোহাম্মদ ফখরুল। তার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ঈগল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও দেবীদ্বার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করা আবুল কালাম আজাদ। বাকি ১০ প্রার্থী হলেন—জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ ইউসুফ (লাঙ্গল), সুপ্রিম পার্টির শফিউল বাদশা (একতারা), তরিকত ফেডারেশনের আজহারুল করিম মুন্সি (ফুলের মালা), গণফ্রন্টের আলাউদ্দিন (মাছ), ন্যাশনাল পিপলস পার্টির ইকরাম হোসেন (আম), কল্যাণ পার্টির নাছির আল মামুন (হাতঘড়ি), তৃণমূল বিএনপির মো. মাহবুবুল আলম (সোনালী আঁশ), ইসলামী ঐক্যজোটের রফিকুল্লাহ সাদী (মিনার), বাংলাদেশ ন্যাশনাল ফ্রন্টের শাহেরা বেগম (টেলিভিশন) ও ইসলামিক ফ্রন্টের শিমুল হোসেন (চেয়ার)। দলীয় নেতাকর্মী ও ভোটাররা বলছেন, এর মধ্যে নৌকার সঙ্গে ঈগলের লড়াইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ দেবীদ্বার উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের মধ্যে ১২টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানরা ঈগলের ভোট করছেন। কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়া) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৯ জন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য আবুল হাশেম খান। তার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে লড়ছেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর খান চৌধুরী (কাঁচি), কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বুড়িচং উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সাজ্জাদ হোসেন (ফুলকপি), কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক ও ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ জাহের (কেটলি), কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক এহতেশামুল হাসান ভূঁইয়া (ট্রাক)। বাকি চার প্রার্থী হলেন—গণফোরামের আলীমুল ইহসান (উদীয়মান সূর্য), সুপ্রিম পার্টির খাজা বাকী বিল্লাহ (একতারা), জাতীয় পার্টির জাহাঙ্গীর আলম (লাঙ্গল) ও স্বতন্ত্র বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা শওকত মাহমুদ (ঈগল)। এখানে নৌকার সঙ্গে কাঁচি, ফুলকপি, কেটলি, ট্রাক ও ঈগলের লড়াইয়ের সম্ভাবনা দেখছেন ভোটাররা। কুমিল্লা-৬ (আদর্শ সদর) আসনে নির্বাচন করছেন পাঁচ জন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের প্রার্থী টানা তিনবারের সংসদ সদস্য আ ক ম বাহাউদ্দিন নৌকা প্রতীকে লড়ছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ঈগল প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্য আঞ্জুম সুলতানা। তিনি বিলুপ্ত কুমিল্লা পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ছিলেন। আঞ্জুম সুলতানা কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রয়াত আফজল খানের মেয়ে। বাকি তিন প্রার্থী হলেন—জাতীয় পার্টির এয়ার আহমেদ সেলিম (লাঙ্গল), সুপ্রিম পার্টির আবদুল মজিদ (একতারা) ও জাকের পার্টির আবুল হোসেন মজুমদার (গোলাপ ফুল)। এখানেও নৌকার সঙ্গে ঈগলের লড়াইয়ের সম্ভাবনা দেখছেন ভোটাররা। কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সাত জন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য প্রাণ গোপাল দত্ত নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ঈগল প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন চান্দিনা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুনতাকিম আশরাফ। তিনি এই আসনের পাঁচবারের নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক ডেপুটি স্পিকার প্রয়াত আলী আশরাফের ছেলে। বাকি পাঁচ প্রার্থী হলেন—কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের তোফায়েল হোসাইন (গামছা), গণফ্রন্টের এমদাদুল হক (মাছ), জাতীয় পার্টির লুৎফুর রেজা (লাঙ্গল), সুপ্রিম পার্টির মো. সহিদুল্লাহ (একতারা) ও বাংলাদেশ কংগ্রেসের সালাম মিয়া (ডাব)। এখানেও নৌকার সঙ্গে ঈগলের লড়াইয়ের সম্ভাবনা দেখছেন দলীয় নেতাকর্মীরা। কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১১ জন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবু জাফর মোহাম্মদ শফি উদ্দিন। তিনি কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি। তার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ঈগল প্রতীকে লড়ছেন নুরুল ইসলাম মিলন। বাকি ৯ প্রার্থী হলেন—খেলাফত আন্দোলনের আবুল ফারাহ আজিজ (বটগাছ), জাতীয় পার্টির এইচএম এম ইরফান (লাঙ্গল), সুপ্রিম পার্টির মোজাম্মেল হক বশির (একতারা), বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির আহসান উল্লাহ (হাতুড়ি), গণফ্রন্টের দুলাল মিয়া (মাছ), ইসলামী ঐক্যজোটের মফিজ উদ্দীন আহমেদ (মিনার), ইসলামিক ফ্রন্টের মাসউদুল আলম (মোমবাতি), বাংলাদেশ কংগ্রেসের হান্নান মিয়া (ডাব) ও জাকের পার্টির শরীফুল ইসলাম (গোলাপ ফুল)। এখানে নৌকার সঙ্গে লাঙ্গল ও ঈগলের লড়াইয়ের সম্ভাবনা দেখছেন দলীয় নেতাকর্মীরা। কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) নির্বাচন করছেন ছয় জন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের প্রার্থী চারবারের সংসদ সদস্য স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী তাজুল ইসলাম নৌকা প্রতীকে রয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছেন—জাসদের মনিরুল আনোয়ার (মশাল), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের আবু বকর ছিদ্দিক (চেয়ার), জাতীয় পার্টির গোলাম মোস্তফা কামাল (লাঙ্গল), কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের জসিম উদ্দিন (গামছা) ও বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মোয়াজ্জেম হোসেন (মোমবাতি)। তাজুল ইসলাম আসন থেকে চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এর মধ্যে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর তিনি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী হন। তিনি কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি। এখানে আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী নেই। হেভিওয়েট কোনও প্রার্থীও নেই। ফলে অনেকটাই নির্ভার নৌকার এই প্রার্থী। আবারও তার জয়ের কথা বলেছেন দলীয় নেতাকর্মীরা। কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট, সদর দক্ষিণ ও লালমাই) আসনে নির্বাচন করছেন পাঁচ জন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের প্রার্থী চারবারের সংসদ সদস্য অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল নৌকা প্রতীকে লড়ছেন। তিনি কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। তার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আছেন সুপ্রিম পার্টির এম অহিদুর রহমান (একতারা), জাতীয় পার্টির জোনাকি হুমায়ুন (লাঙ্গল), বাংলাদেশ কংগ্রেসের মোহাম্মদ কামরুজ্জামান (ডাব) ও গণফোরামের শহীদুল ইসলাম (উদীয়মান সূর্য)। তবে নাঙ্গলকোট, সদর দক্ষিণ ও লালমাই উপজেলার অন্তত ৬০ কিলোমিটার এলাকা ঘুরে আ হ ম মুস্তফা কামালের পোস্টার-ব্যানার দেখা গেলেও তার কোনও প্রতিদ্বন্দ্বীর পোস্টার দেখা যায়নি। দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এখানে আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী নেই। হেভিওয়েট কোনও প্রার্থীও নেই। ফলে অনেকটাই নির্ভার নৌকার প্রার্থী। ফলে আবারও জয়ের পথে এগিয়ে রয়েছেন মুস্তফা কামাল। কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনে নির্বাচন করছেন সাত জন। এখানে নৌকার প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য সাবেক রেলমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক। তার স্বতন্ত্র প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ফুলকপি প্রতীকে লড়ছেন চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান ও ঈগল প্রতীকে আছেন মো. নিজাম উদ্দিন। বাকি প্রার্থীরা হলেন—গণফোরামের আবদুর রহমান জাহাঙ্গীর (উদীয়মান সূর্য), বাংলাদেশ ন্যাশনাল ফ্রন্টের জসিম উদ্দিন (টেলিভিশন), ইসলামী ঐক্যজোটের খোরশেদ আলম (মিনার) ও জাতীয় পার্টির মোস্তফা কামাল (লাঙ্গল)। এখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী থাকলেও আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট কোনও নেতা না থাকায় জয়ের পথে এগিয়ে রয়েছেন মুজিবুল হক। আবারও জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করে মন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেন, ‌‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে দেশের মানুষ নিরাপদ থাকে। আগামী প্রজন্মের উন্নত শিক্ষা নিশ্চিতে আবারও শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে। আমরা নেত্রীকে জয়ী করতে মাঠে কাজ করছি। ইনশাআল্লাহ জনগণ নৌকার পক্ষেই আবারও রায় দেবে।’
Published on: 2023-12-28 03:11:14.006239 +0100 CET

------------ Previous News ------------