বাংলা ট্রিবিউন
অল্প হলেও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু করতে আগ্রহী সরকার

অল্প হলেও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু করতে আগ্রহী সরকার

অল্প হলেও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু করার বিষয়ে আগ্রহী সরকার। এজন্য মিয়ানমারকে অনুরোধও করা হয়েছে। সম্প্রতি উগান্ডার রাজধানী কাম্পালায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ ও মিয়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী থান সুয়ের মধ্যে বৈঠকে বিষয়টি আলোচনা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) কাম্পালা থেকে ফিরে এক সংবাদ সম্মেলনে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি আমরা অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে আলোচনা করেছি এবং অনুরোধ করেছি অত্যন্ত শুরু করার জন্য।’ মিয়ানমার বিষয়টি গভীরভাবে দেখছে বলে আমাকে জানিয়েছেন এবং তাদের কথাবার্তায় যেটি মনে হয়েছে শুরু করার বিষয়ে তাদের মধ্যে আগ্রহ আছে বলে তিনি জানান। মিয়ানমার থেকে মাদক চোরাচালান নিয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ’এটির সঙ্গে মিয়ানমারের বিভিন্ন গ্রুপ যুক্ত, সেটি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনিও স্বীকার করেছেন মিয়ানমারের বিভিন্ন বিবদমান গ্রুপগুলো একে অপরের সঙ্গে বিবাদ করলেও মাদক চোরাচালানের বিষয়ে একসঙ্গে কাজ করে। আবার একইসঙ্গে তাদের সংঘাতের এটিও একটি বড় বিষয়। এটি কীভাবে মোকাবিলা করতে পারি, সেটি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি।’ *বিশ্ব ব্যাংকের ঋণ* বিশ্ব ব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর আব্দুলায়ে সেক মঙ্গলবার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘তারা বাংলাদেশকে নতুনভাবে আরও ৭০০ মিলিয়ন ডলার অনুদান ও সহজ শর্তে ঋণ দেওয়ার আগ্রহ ব্যক্ত করেছে। এরমধ্যে ৩১৫ মিলিয়ন ডলার রোহিঙ্গাদের জন্য অনুদান এবং ৩৮৫ মিলিয়ন চট্টগ্রাম বিভাগের হোস্ট কমিউনিটির জন্য সহজ শর্তে ঋণ দেওয়ার জন্য আগ্রহ ব্যক্ত করেছে।’ বাংলাদেশে বিশ্ব ব্যাংকের ৫৬টি প্রকল্পে ১৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ আছে এবং বিশ্ব ব্যাংকের সঙ্গে উন্নয়ন সহযোগিতা সেটি আরও কীভাবে শক্তিশালী করা যায়, সেটি নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে তিনি জানান। *ড. ইউনূসের মামলা* যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক সিনেটর ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে মামলা থেকে অব্যাহতি ও হয়রানি না করার জন্য অনুরোধ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে চিঠি পাঠিয়েছে। এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসাবে নয়, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসাবে উত্তর দানকালে তিনি বলেন, ‘আমি আওয়ামী লীগের একজন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসাবে এবং দেশের একজন নাগরিক হিসাবে বলবো যে আদালতকে তো সরকার নির্দেশ দিতে পারে না। এখানে প্রথমত ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি যথাযথ সম্মান রেখে বলতে চাই এখানে সরকার মামলার কোনও পক্ষ নয়। এটি বেসরকারি জনগণ, ক্ষুব্ধ জনগণ, যারা শ্রমিক তারা মামলা করেছে এবং সেই মামলায় তার শাস্তি হয়েছে। সরকার তো আদালতকে ডিক্টেট করতে পারে না।‘ কংগ্রেসম্যানরা যদি সেরকম চিঠি দিয়ে থাকেন, তাহলে তারা সরকারকে বলছেন আদালতের ওপর হস্তক্ষেপ করার জন্য। সরকার কী আদালতের ওপর হস্তক্ষেপ করতে পারে, এটি কি করা সমীচীন? আমাদের দেশে এটি করা হয় না এবং কোথাও করা সমীচীন নয় বলে তিনি জানান।
Published on: 2024-01-23 14:22:05.881767 +0100 CET

------------ Previous News ------------