বাংলা ট্রিবিউন
পশ্চিমাদের সঙ্গে যে কৌশলে এগোবে আ.লীগ

পশ্চিমাদের সঙ্গে যে কৌশলে এগোবে আ.লীগ

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ সরকারের ওপর বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করে সরব হয় যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা বিভিন্ন দেশ। এর বিপরীতে নীরব সমর্থন নিয়ে ক্ষমতাসীনদের পাশে ছিল ভারত, চীন ও রাশিয়া। নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়ী হয়ে টানা চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করেছে আওয়ামী লীগ। এবার সব পক্ষের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করতে মনোযোগী হয়েছে দলটি। দলের নেতারা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক বাড়িয়ে পররাষ্ট্রনীতিতে ভারসাম্য আনার কৌশল অবলম্বন করা হবে। এতে সরকার ও দল উভয়ের পথচলা নির্ভার হবে বলে মনে করেন তারা। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সপ্তাহখানেক পরেই পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ককে আরও ঘনিষ্ঠ করার ব্যাপারে কথা বলেছেন। সরকার ‘ওয়াশিংটনের সঙ্গে শত্রুতা করে বা সম্পর্ক নষ্ট করে রাশিয়ার সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে চায় না’ বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘ভেরি ব্যালেন্সড ফরেন পলিসি মেইনটেইন’ করে চলবেন বলে মনে করেন। নির্বাচনের আগে সরকারের মন্ত্রী থেকে শুরু করে আওয়ামী লীগ নেতারা যেভাবে যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনা করেছেন, তেমনটি এখন লক্ষ করা যাচ্ছে না। ওয়াশিংটনের সঙ্গে যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে, তা প্রশমনে ঢাকার উদ্যোগী হওয়ার ইঙ্গিত হিসেবে এই পরিস্থিতিতে দেখছেন আওয়ামী লীগের নেতারা। দলটির পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে কাজ করা অন্তত তিন জন নেতা বাংলা ট্রিবিউনকে জানিয়েছেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হয়, যা এখন মেরামত করার কৌশল নেওয়া হচ্ছে। তবে কেমন কৌশল নিয়ে এগোবে, সেটি এখনও পরিষ্কার নয়। আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, ভারত ও চীনের সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও সরকারের সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরে ভালো অবস্থায় রয়েছে। সেইসঙ্গে রাশিয়ার সঙ্গেও সম্পর্ক দ্রুত ভালোর দিকে এগোচ্ছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ পশ্চিমা বলয়ের দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক কিছুটা শীতল হয়ে আসে। তবে সব কিছুর পরও একটি ভালো ভোট করতে সক্ষম হয়েছে আওয়ামী লীগ সরকার। এখন নতুন সরকারের পথচলা নির্ভার করতে চায় ক্ষমতাসীনরা। নতুন সরকারের সামনে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের বিষয়ে জানতে চাইলে সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও বর্তমানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি এ কে আব্দুল মোমেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, “আমরা পশ্চিমে না পূর্বদিকে যাবো সেটি নয়। আমরা আমাদের প্রিন্সিপালের বেসিসে বঙ্গবন্ধুর দেওয়া ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়’ নীতিতে এগোবো। ব্যালেন্স ফরেন পলিসি চালালে, আগের নেওয়া তিনটি প্যাকেজ পারস্যু করলে আমরা আমাদের লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবো তাতে কোনও সন্দেহ নেই। ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশ গড়তে পারবো।” সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার ভি মান্টিটস্কি। পরে ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শত্রুতা করে বা সম্পর্ক নষ্ট করে রাশিয়ার সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে চায় না বাংলাদেশ। তিনি আরও জানান, ভিন্ন কৌশলে রূপপুরের জন্য বেশ কিছু জিনিস আনা হয়েছে যাতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শত্রুতা না হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা বলেছেন, বর্তমান বিশ্ব ব্যবস্থায় মেরুকরণ ক্রমাগতভাবে বাড়ছে। ফলে এশিয়ায় পশ্চিমাদের প্রভাব হ্রাস পাচ্ছে; আর চীন, রাশিয়া, ভারতের প্রভাব বাড়ছে। এমন বাস্তবতায় যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে পশ্চিমারা তাদের প্রভাব ধরে রাখতে এবং বিপরীত বলয়ে থাকা তিন দেশও এই অঞ্চলে সক্রিয় হয়ে উঠছে। এতে বৃহৎ শক্তিগুলোর মুখোমুখি দাঁড়ানোর বিষয়টি বাংলাদেশেও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। সে কারণে ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে শত্রুতা নয়’ নীতিতে জোর দিচ্ছে ঢাকা। ভারত, চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখার পাশাপাশি পশ্চিমাদের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের বার্তা দিচ্ছে আওয়ামী লীগ। পশ্চিমাদের সমালোচনা কমিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক যোগাযোগ বাড়াচ্ছেন দলটির সংশ্লিষ্ট উইংয়ের নেতারা। বিভিন্ন মাধ্যমে এবং নানা পর্যায়ে অনেক চ্যানেলে যোগাযোগ বাড়ানো হচ্ছে বলে জানান তারা। আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক সম্পাদক শাম্মী আহমেদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আমরা মনে করি আগাগোড়া পশ্চিমাদের সঙ্গে একটা সুসম্পর্ক ছিল। আমরা স্বাধীন-সার্বভৌম হিসেবে সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকি। নির্বাচন নিয়ে অনেক দেশ অনেক কথা বলার চেষ্টা করেছে। কিন্তু আমরা একটা অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন করেছি। এখন তারাই আবার অভিনন্দন জানাচ্ছে, সব কিছুই করছে। আমাদের পররাষ্ট্রনীতি হচ্ছে সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়। এই নীতিতেই আমরা এগিয়ে চলছি। পশ্চিমাদের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে কূটনীতির পাশাপাশি রাজনৈতিক যোগাযোগ বাড়ানোর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, রাজনৈতিক যোগাযোগ তো সবসময় থাকেই। এটা নতুন করে করার কিছু নেই। রাষ্ট্রীয়ভাবে থাকে, দলীয়ভাবেও থাকে। যেহেতু আমরা গ্লোবাল ভিলেজে বাস করি, তাতে তাদের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগও রয়েছে। এসব যোগাযোগ আগামীতে আরও বাড়বে, বন্ধনটা আরও দৃঢ় হবে বলেই আমি বিশ্বাস করি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর এক সদস্য বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন, রাজনৈতিক সংলাপ, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, মানবাধিকার, শ্রমিক অধিকারসহ কয়েকটি ইস্যু সামনে এনে আওয়ামী লীগ সরকারের ওপর চাপ দিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। এর বিপরীতে বাংলাদেশের ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সামনে রেখে কিছু এজেন্ডায় জোর দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হবে। এক্ষেত্রে পারস্পরিক স্বার্থ ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখা, আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ও রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলা এবং অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক গুরুত্বের সঙ্গে সামনে আসবে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে এ কে আব্দুল মোমেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘জিওগ্রাফিক স্ট্র্যাটেজিক লোকেশন (ভৌগোলিক কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ স্থান) হওয়ায় বাংলাদেশের প্রতি অনেকের নজর আছে। মহাসাগর ও ইন্দো-প্যাসিফিক রিজিয়ন দিয়ে পৃথিবীর ৮৬ ভাগ বাণিজ্য হয়। এর বড় সুফল ভোগ করে চীন। তাদের ঠেকিয়ে রাখতে যুক্তরাষ্ট্র একপায়ে দাঁড়ানো। সে জন্য ইন্দো-প্যাসিফিকে বিশেষ আকর্ষণ আছে। তারা মনে করে, আমাদের যারা হাত করতে পারবে, তাদের কিছু লাভ হবে। আমরা এক্ষেত্রে কারও লেজুড় হবো না। আমরা আমাদের ফ্রি, ওপেন, সিকিউরড, ইনক্লুসিভ, রুলস বেইজড ইন্দো-প্যাসিফিক নেভিগেশনে বিশ্বাস রাখবো, যাতে আমরা অন প্রিন্সিপাল সবাইকে স্কোপ দিতে পারি। প্রিন্সিপালের বেসিসে আমরা কাজ করলে কোনও টানাপড়েনে পড়বো না। চেষ্টা হবে আমাদের এদিক দিয়ে ওদিকে নেওয়ার। কিন্তু আমরা যদি অন প্রিন্সিপাল থাকি—এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খুব শক্ত। তিনি কারও হুমকি-ধমকিতে কারও দিকে যাবেন না, ভেরি ব্যালেন্সড ফরেন পলিসি মেইনটেইন করে আছেন।’ গত ১১ জানুয়ারি নতুন সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ। ১৩ জানুয়ারি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রথম কর্মদিবসের শুরুতে তিনি বলেন, দিন শেষে আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করবো। এটাই মূল বিষয়। সবাই আমাদের উন্নয়ন সহযোগী, সবাইকে সঙ্গে নিয়ে আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবো। আমরা সবার সঙ্গে বন্ধুত্বের পাশাপাশি, বিভিন্ন বন্ধু দেশের উদ্বেগগুলোকেও আমরা ভ্যালু করবো, মূল্যায়ন করবো। আওয়ামী লীগের একটি সূত্র জানায়, নতুন সরকারের সময় আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফোরামের সম্মেলন, সেমিনার এবং বিভিন্ন দেশ সফরের বিষয়টিকে কাজে লাগানো হবে। এর মাধ্যমে সরকারের প্রতিনিধিরা সম্পর্ক উন্নয়নের ওপর জোর দেবেন। এই প্রক্রিয়া এরইমধ্যে শুরু হয়েছে। তবে পশ্চিমাদের সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নের সুযোগ কম থাকায় কূটনীতির ওপর জোর দেওয়া হবে। বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে তৃতীয় ইইউ ইন্দো-প্যাসিফিক মিনিস্টেরিয়াল ফোরামের সাইডলাইনে ভিয়েতনাম, বেলজিয়াম, চেক ও সুইডেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। এসব বৈঠকে মন্ত্রী চার দেশের সঙ্গেই বাণিজ্য ও বাংলাদেশের উদীয়মান খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। এছাড়া কয়েক দিন আগে ভারত সফরে গিয়ে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করেছেন হাছান মাহমুদ। দুই দেশের মধ্যে আরও গভীর সম্পর্ক তৈরি করার পাশাপাশি মিয়ানমার সংকট এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ওপর ওই সংকটের প্রভাব, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ, তিস্তা ও গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি, ব্যবসা-বাণিজ্য, কানেকটিভিটি, বিদ্যুৎ-প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। এদিকে মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্সে যোগ দেওয়ার জন্য ১৫ ফেব্রুয়ারি জার্মানি যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নতুন সরকার গঠনের পর এটিই তার প্রথম বিদেশ সফর। এ সফরে কনফারেন্স ডিপ্লোম্যাসির সুযোগ তৈরি হবে। কনফারেন্সে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরার পাশাপাশি বেশ কয়েকজন সরকারপ্রধানের সঙ্গে বৈঠকের কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। এর মধ্যে জার্মানির চ্যান্সেলর ওলাফ শোলজ, ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেট ফ্রেডেরিকসেন ও নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুটের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। এছাড়া ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং মেটা গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্সের প্রেসিডেন্ট নিক ক্লেগের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ হবে প্রধানমন্ত্রীর। আওয়ামী লীগ সরকারের পররাষ্ট্রনীতির বিষয়ে জানতে চাইলে এ কে আব্দুল মোমেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, “সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়’– ওয়েল ব্যালেন্সড ফরেন পলিসি চালু করে এসেছি। সেটি দেশের মঙ্গলের জন্যেই। যতগুলো রাষ্ট্র আছে—বড় দেশ, ছোট দেশ…। বিশেষ করে পশ্চিমা কিংবা তাদের উল্টো সবাইকে আমরা মোটামুটি একটা ভালো সম্পর্কের অবস্থানে রেখে এসেছি। যার ফলে নির্বাচন হওয়ার পরে পরে সব দেশ আমাদের ধন্যবাদ জানিয়েছে।” তিনি বলেন, “আমাদের সামনে একটা বড় চাপ ছিল যে প্রধানমন্ত্রী অঙ্গীকার করেছিলেন- ‘ফ্রি, ফেয়ার, ট্রান্সপারেন্ট অ্যান্ড ক্রেডিবল ইলেকশন দেবো’। তার সঙ্গে আমরা অ্যাড করেছি ননভায়োলেন্ট। আমরা সেটায় খুব সাকসেসফুল হয়েছি। তারপর আমাদের মান-ইজ্জত আরও বেড়েছে। আমরা নিজেরাই যে দায়বদ্ধতা নিয়েছিলাম, যে দেশ ডেমোক্র্যাসি, হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড জাস্টিসের জন্য ৩০ লাখ মানুষ জীবন দিয়েছে, আমরা তারই উত্তরাধিকার সেটি আমরা প্রমাণ করেছি। আমরা যে অবস্থানে এখন আছি সবার সঙ্গে আমাদের সুসম্পর্ক আছে। আগামীতে নতুন সরকার একই পন্থা অবলম্বন করে এই সুসম্পর্ক আরও শক্তিশালী করবে বলে আমার বিশ্বাস।”
Published on: 2024-02-14 18:13:24.649469 +0100 CET

------------ Previous News ------------