বাংলা ট্রিবিউন
ছয় দিন পর নিভলো এস আলম চিনি কারখানার আগুন

ছয় দিন পর নিভলো এস আলম চিনি কারখানার আগুন

চট্টগ্রামে এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের কারখানায় লাগা আগুন ছয় দিন পর এসে পুরোপুরি নিভেছে। শনিবার (৯ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় আগুন সম্পূর্ণ নির্বাপণ করা হয় বলে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা। এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম বিভাগীয় ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক এম ডি আবদুল মালেক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এস আলম সুপার রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের কারখানায় লাগা আগুন নির্বাপণ হয়েছে। শনিবার সাড়ে ৬টায় আগুন নির্বাপণ করে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেছে। তবে আগুন লাগার কারণ এবং কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা তদন্ত সাপেক্ষে জানা যাবে।’ এর আগে, সোমবার (৪ মার্চ) বিকাল ৩টা ৫৩ মিনিটে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী থানা এলাকার এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ১ নম্বর গুদামে আগুন লাগে। গুদামটিতে বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত চিনির মজুত ছিল বলে জানায় প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদফতরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাইন উদ্দিন বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) পুড়ে যাওয়া চিনির গুদাম পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ‘পুড়ে যাওয়া গুদামটিতে এক লাখ ১৬ হাজার মেট্রিক টন অপরিশোধিত চিনি ছিল। এর মধ্যে ৮০ শতাংশ চিনি আমরা রক্ষা করতে পেরেছি।’ চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান বলেন, ‘কারখানা কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, এখানে থাকা চিনির ওপরের স্তরের ১০-২০ শতাংশ নষ্ট হতে পারে। কিন্তু নিচের চিনি ভালো আছে। এটি রিকভার করার জন্য পরিবেশ, বিএসটিআই, ফায়ার সার্ভিসসহ সংশ্লিষ্ট দফতরগুলোর ছাড়পত্র লাগবে।’ এস আলম সুগার মিলে বিদেশ থেকে কাঁচামাল (অপরিশোধিত) এনে দুটি প্ল্যান্টে পরিশোধন করা হয়। এর মধ্যে প্ল্যান্ট-১-এর দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা ৯০০ টন এবং প্ল্যান্ট-২-এর দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা এক হাজার ৬০০ টন। থাইল্যান্ড ও ফ্রান্সের প্রযুক্তি এবং কারিগরি সহায়তায় কারখানাটি পরিচালিত হয়।
Published on: 2024-03-10 08:55:31.254035 +0100 CET

------------ Previous News ------------