ইত্তেফাক
‘ডামি নির্বাচনের কী দরকার, ঘোষণা দিলেই হয় অমুক এলাকায় অমুক এমপি’

‘ডামি নির্বাচনের কী দরকার, ঘোষণা দিলেই হয় অমুক এলাকায় অমুক এমপি’

*বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, ডামি নির্বাচনের নামে এত কষ্ট করার কী দরকার। ঘোষণা দিয়ে দিলেই হয়, অমুক এলাকায় অমুক এমপি।* শনিবার (১৬ ডিসেম্বর) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিজয় দিবসের র‌্যালি শুরুর আগে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। নজরুল ইসলাম খান বলেন, পত্রপত্রিকায় ছাপা হচ্ছে কারা, কোন দল কয়টা আসন পাবে, কোন নেতা কোন এলাকা থেকে নির্বাচন করবে। এটা কোনো নির্বাচন, ভাবতে পারেন? নির্বাচন হবে প্রতিযোগিদের মধ্যে। এখন সেই ব্যাপার নেই। কারণ, জনগণ এই নির্বাচন চায় না। এই নির্বাচনে জনগণ ভোট দিতে যাবে না। ভোটার আনার জন্য সরকার এখন নিজের দলের লোকজনকেই ডামি প্রার্থী বানাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, একবার নির্বাচন হলো প্রার্থী ছিল না, আরেকবার নির্বাচন হলো রাতের বেলায় ভোট হয়ে গেল আর এবারের নির্বাচন হলো ডামি নির্বাচন। বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, ডামি নির্বাচনের জন্য সাড়ে ৭ লাখ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর লোক নিয়োগ দেওয়া হবে। এত লোকের কষ্টের কী দরকার? যেখানে মানুষ কষ্টে আছে, দুই বেলা খেতে পারে না সেখানে ২ হাজার কোটি টাকা খরচ করে এই নির্বাচন করার কী দরকার। ঘোষণা করে দিলেই হয় অমুক এমপি, তমুক মন্ত্রী। এই রসিকতার জন্য আমরা দেশ স্বাধীন করি নাই। আমরা চাই বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হোক। নির্বাচনে সবাই অংশগ্রহণ করবে। প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। জনগণ যাকে পছন্দ করবে তারা নির্বাচিত হবে। আমরা সেই নির্বাচন আদায়ের জন্য লড়াই করছি, বলেন তিনি। জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে দাবি করে বিএনপির এ নেতা বলেন, স্বাধীনতার ৫২ বছর পর বলতে হচ্ছে আমরা আবার গণতন্ত্র হারিয়েছি। গণতন্ত্রের নামে স্বৈরশাসন চলছে। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, আমানুল্লাহ আমানসহ অসংখ্য নেতা কারারুদ্ধ। প্রতিদিন মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাদের নেতা-কর্মীদের নানাভাবে হয়রানি করা হচ্ছে, দণ্ডিত করা হচ্ছে।
Published on: 2023-12-16 12:53:10.765789 +0100 CET