ইত্তেফাক
রূপগঞ্জে গ্রামে গ্রামে সন্ত্রাসী বাহিনী!

রূপগঞ্জে গ্রামে গ্রামে সন্ত্রাসী বাহিনী!

রাজধানীর অদূরের জনপদ রূপগঞ্জ। এখানেই গড়ে উঠেছে রাজউকের পূর্বাচল উপশহর। রয়েছে চনপাড়া পুনর্বাসনকেন্দ্র। কাঁচপুর ব্রিজ থেকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের প্রায় ২০ কিলোমিটার রূপগঞ্জের অন্তর্গত। রূপগঞ্জকে শীতলক্ষ্যা নদী দুই ভাগে বিভক্ত করেছে। রাজধানী ঢাকার সঙ্গে রূপগঞ্জকে বালু নদী ভাগ করে রেখেছে। ঢাকার অদূরে ও পূর্বাচল উপশহরকে ঘিরে অবস্থিত হওয়ায় অর্ধশতাধিক আবাসন প্রকল্প রূপগঞ্জের জলাশয়, খাল-বিল, ফসলি জমি দখল করে রেখেছে। আবাসন প্রকল্পের কেউ কেউ সরকারি জমি দখল করছে। তারা নিয়োজিত করছে স্থানীয় সন্ত্রাসীদের। আবাসন প্রকল্পের চাহিদা অনুযায়ী অবৈধ কাজ বাস্তবায়নে গ্রামে গ্রামে গড়ে উঠেছে সন্ত্রাসী বাহিনী। প্রায়ই এসব সন্ত্রাসী সংঘর্ষে লিপ্ত হচ্ছে। স্থানীয় আধিপত্য বিস্তারে প্রতিনিয়ত যোগ দিচ্ছে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা। ধর্ষণ, অপহরণ, ডাকাতির ঘটনায় বাদীপক্ষ গরিব হলে পুলিশের ভূমিকা থাকে রহস্যজনক। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের দুই পাশে গড়ে ওঠা শিল্পকারখানার ব্যবসা বাণিজ্য নিয়েও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। আবার নগদ ইনকাম ভালো থাকায় কিশোর ও যুবকরা মাদক সেবনে ঝুঁকছে। স্থানীয় একশ্রেণির রাজনৈতিক নেতা, ইউনিয়ন ও পৌরসভার জনপ্রতিনিধি ও প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় অপরাধীরা সক্রিয় হয়ে উঠছে। অপরাধের বৃহত্ অংশ শিল্পকারখানা ও হাউজিং প্রকল্পকেন্দ্রিক। অনেক সময় ভূমিদস্যুদের হাতে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধি জিম্মি হয়ে পড়ে। হত্যাকাণ্ডের বিচার নেই: রূপগঞ্জের আলোচিত ঘটনাসহ অধিকাংশ হত্যাকাণ্ডের বিচার নেই। শিশু হত্যা, গৃহবধূ হত্যা, স্বামী হত্যা, শিক্ষার্থী হত্যা, রাজমিস্ত্রি হত্যা ছাড়াও গত ২০ বছরে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী খুন হয়েছে। রূপগঞ্জে রসুলপুর এলাকার রাজমিস্ত্রি সুমন (৩৫), নাওড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্র স্বাধীন, গোলাকান্দাইলের শিংবালো এলাকার গৃহবধূ হাফসা আক্তার কাকলী (২৩), তারাবো পৌরসভার বিশ্বরোড এলাকার যুবক সোহেল মিয়া (২২), ভুলতা স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্র মেহেদী হাসান (১৬), ব্রাহ্মণখালী এলাকার বিউটি বেগম (৩৫), মুড়াপাড়া ইউনিয়নের দড়িকান্দী এলাকার দ্বীন ইসললাম (৩২), ভক্তবাড়ী এলাকার শিশু ইয়াছমিন (১০), গোলাকান্দাইল এলাকার অটোরিকশা চালক স্বপন সরদার (৫০), মৈকুলী এলাকার গৃহবধূ জান্নাতুল ফেরদৌস জ্যোতি (২৩), পূর্বাচলের সোহেল (৩৫), চনপাড়ার বিউটি আক্তার (৪০), কালাদী এলাকার সোলায়মান মিয়া (৫২) হত্যা মামলা বিচারাধীন। তবে একটিরও বিচার হয়নি। হত্যাকাণ্ডের বিচার না হওয়ায় হত্যাকাণ্ড ঘটছেই। হত্যাকাণ্ডের মামলাগুলো বছরের পর বছর ঝুলে আছে। সন্ত্রাসীদের ভয়ে সাক্ষীরা সঠিক সাক্ষ্য দিচ্ছে না। দীর্ঘদিন বিচারের আশায় আদালতে ঘুরতে ঘুরতে বাদীপক্ষ মামলা চালাতে অপারগ হয়ে পড়ে। তাতে আইনের ফাঁক-ফোকরে অপরাধীরা ছাড় পেয়ে যায়। দুই মাসেও উদ্ধার হয়নি অপহূত ছাত্রী: এদিকে বাঘবের আইডিয়াল হাইস্কুলের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী তানজিলা আক্তার বাড়ি ফেরার পথে গত ১৫ জানুয়ারি অপহরণ হয়। তানজিলার বাবা দিনমজুর আব্দুল জব্বার বাদী হয়ে পাঁচ জনকে আসামি করে রূপগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তানজিলাকে উদ্ধারের জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তা তানজিলার বাবার কাছ থেকে কয়েক দফা গাড়ি ভাড়ার নাম করে টাকা নেন। কিন্তু গত ১৪ মার্চ পর্যন্ত মামলা হিসেবে রুজু হয়নি। কেউ গ্রেফতার কিংবা তানজিলাকে উদ্ধারও করা হয়নি। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই টাকা ছাড়া রূপগঞ্জ থানায় কাজ হয় না বলে অভিযোগ রয়েছে। কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা বৃদ্ধি: রূপগঞ্জের ভুলতা, গোলাকান্দাইল, কাঞ্চন, দাউদপুর, রূপগঞ্জসহ আশপাশের এলাকায় অর্ধশতাধিক কিশোর গ্যাং গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে। তারা মাদক কেনাবেচা, চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, নারী নির্যাতন, মাদক সেবন, হত্যাসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। গোলাকান্দাইলের স্যাভেজ গ্যাং ও ডেঞ্জার গ্রুপ আতঙ্কের নাম। গোলাকান্দাইলের সাজ্জাত, সাদেক, রবিউল, আমিনুল, আরমান কিশোর গ্যাংয়ের নেতৃত্বে রয়েছে। কিশোর গ্যাংয়ের নেতা শাওনের নামে রূপগঞ্জ ও ভৈরবসহ রাজধানীর বিভিন্ন থানায় ১৩টি মামলা রয়েছে। ভুলতার বায়েজিদের কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য সংখ্যা ৭০। তারাবো হাটিপাড়া এলাকার কিশোর গ্যাংয়ের নেতৃত্ব দিচ্ছেন শাকিল, আলফাজ, শিফাত, শান্ত ও রিফাত। নোয়াপাড়া এলাকার মাহবুব হোসেন, বরাবো এলাকার উজ্জ্বল, ইয়াছিন, রিয়ান, শাওন, চনপাড়ার শ্রাবণ কিশোর গ্যাংয়ের সক্রিয় সদস্য। কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা প্রতিটি এলাকায় ফিল্মিস্টাইলে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। যে বয়সে কিশোরদের স্কুল-কলেজে যাওয়ার কথা, খেলার মাঠে থাকার কথা সে বয়সে তরুণরা নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ছে। নেশার টাকা যোগাতে বিভিন্ন অপরাধ কর্মকাণ্ডে তারা জড়িয়ে পড়ছে। স্থানীয় প্রভাবশালীরা নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করতে কিশোর গ্যাং সদস্যদের সেল্টার দিচ্ছে। জমি দখল, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, নতুন ভাড়াটিয়ার কাছ থেকে কৌশলে টাকা আদায়, রাস্তার মোড়ে মোড়ে আড্ডা, নারীদের উদ্দেশ্য করে অশালীন মন্তব্য, গার্মেন্টস কর্মীদের উত্ত্যক্তসহ বিভিন্ন অপরাধ কর্মকাণ্ডে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা জড়িয়ে পড়ছে। গোলাকান্দাইল এলাকার কিশোর গ্যাংয়ের নেতা ১৩ মামলার আসামি মাছুম বিল্লাহ (২৮) প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ তাকে গ্রেফতার করছে না বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে তারাবো এলাকার কিশোর গ্যাংয়ের নেতা সজিবকে অস্ত্রসহ র্যাব গ্রেফতার করেছে। অবৈধ দখলে সরকারি জমি: উপজেলার মুড়াপাড়া, তারাব, ভুলাতা, গোলাকান্দাইল, দাউদপুর, ভোলাবসহ আশপাশের বিপুল পরিমাণ সরকারি জমি বেদখল রয়েছে। আবাসন প্রকল্প, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা, জনপ্রতিনিধি ও সন্ত্রাসীরা এ সকল জমি দখল করে রেখেছে। উপজেলা প্রশাসনও অবৈধ বেদখল হওয়া জমি উদ্ধারে তত্পর রয়েছে। সরকারি বেদখল হওয়া ভিংরাবো ও মুশুরি মৌজার ১৮ বিঘা জমি, তারাবো পৌরসভার আরিয়াবো মৌজার ১২৬ শতাংশ জমি, দাউদপুর ইউনিয়নের ৭ বিঘা জমি, ভোলাবো ইউনিয়নের ৫ বিঘা, শীতলক্ষ্যা নদী ঘেঁষা হাঁটাবো আতলাশপুর এলাকার ১০০ শতাংশ জমি স্থানীয় প্রশাসন গত দুই বছরে উদ্ধার করেছে। তবে উদ্ধারের কিছুদিন পরেই আবারও  সেগুলো বেদখল হয়ে যায়। শীতলক্ষ্যা নদীর তীর দখল: শীতলক্ষ্যা নদীর দুই তীরের স্থানে স্থানে বেদখল হয়ে গেছে। বাড়ির মালিক থেকে শুরু করে শিল্পকারখানার মালিকরা নদী দখলে এখন সক্রিয় হয়ে ওঠেছে। স্থানীয় প্রভাবশালীরা নদীর গভীর পর্যন্ত জেটি তৈরি করে দখলে নিয়ে মালামাল লোড-আনলোড করছে। নদী দখলে বিপন্ন হয়ে গেছে পরিবেশ। কোনো কোনো স্থানে মাছের ঘের দিয়ে নদী দখল করা হচ্ছে। নদী দখলদারদের উচ্ছেদ করা হলেও কিছুদিন পরে আবারও নদী বেদখল হয়ে যায়। দুই শতাধিক মাদকের স্পট: গোলাকান্দাইল ৫ নম্বর ক্যানেল, মুড়াপাড়া, চনপাড়া পুনর্বাসন কেন্দ্র, ভায়েলা বেবির বাড়ি, ভুলতা, দাউদপুর এলাকা এখন মাদকে সয়লাব। উপজেলার অন্তত দুই শতাধিক স্পটে মদ, গাঁজা, ফেনসিডিল ও ইয়াবা বিক্রি হচ্ছে। চনপাড়া পুনর্বাসন কেন্দ্রে বিপুল সংখ্যক মাদকের স্পট রয়েছে। এ সব স্পটে ঢাকা থেকে মাদকাসক্তরা এসে মাদক সেবন করে। এখানে হাত বাড়ালেই সকল ধরনের মাদক পাওয়া যায়। ঈদকে সামনে রেখে বেশি লাভের আশায় ব্যবসায়ীরা মাদক মজুত করছে। মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতারে প্রশাসনের অগ্রণী ভূমিকা নেই। তবে মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের লেনদেনে ত্রুটি হলেই গ্রেফতার করা হয়। স্থানীয় প্রভাবশালী ও দুই-এক জন পুলিশের ছত্রছায়ায় নিরাপদে ও নির্বিঘ্নে মাদক বিক্রি করা হচ্ছে। মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতার করে কখনো কখনো ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ফুটপাত অবৈধ দখলে: ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে দুই পাশে ভুলতা গাউছিয়া মার্কেটের সামনের ফুটপাত অবৈধ দখলে রয়েছে। সাত শতাধিক অস্থায়ী দোকানদার তাদের পণ্য নিয়ে মহাসড়কের দুই পাশ দখলে নেয়। সুযোগ পেয়ে স্থানীয় কিশোর গ্যাং ও সন্ত্রাসী চাঁদাবাজরা এ সকল দোকান থেকে প্রতিদিন চাঁদার টাকা ওঠায়। তাতে মহাসড়কে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। ভুলতা  ফাঁড়ি পুলিশ নিরব থাকায় দখলদাররা ফুটপাত দখলে নিতে প্রতিযোগিতায় নামে। প্রতিটি দোকান থেকে এককালীন ৫ হাজার টাকা থেকে ১০ হাজার টাকা জামানত আদায় করা হয়। এছাড়া প্রতিদিন দোকানের সাইজ অনুসারে ২০০ টাকা থেকে ৪০০ টাকা করে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আহসান মাহমুদ রাসেলের নেতৃত্বে সম্প্রতি উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। তবে উচ্ছেদের তিন-চার দিন পরেই ফুটপাত আবার বেদখল হয়ে যায়। নৌ পরিবহনে চাঁদাবাজি: শীতলক্ষ্যা নদীর রূপগঞ্জ অংশের বিভিন্ন স্থানে নৌ পরিবহন থেকে নৌ পুলিশের নামে চাঁদা আদায় করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। বালুবাহী বাল্কহেডের সাইজ অনুসারে ১০০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত প্রতিদিন রূপগঞ্জের মুড়াপাড়া বাজারের পশ্চিমপাশ থেকে মঠেরঘাটের পশ্চিমপাশ পর্যন্ত এই মধ্যবর্তী সীমানায় ইঞ্জিনচালিত ছোট নৌকায় এসব টাকা আদায় করা হচ্ছে। প্রতিবাদ করলেই বাল্কহেড চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে হুমকি দেয়া হয়। বাল্কহেডের মালিকরা বাধ্য হয়ে নৌ পুলিশের নামে এ সকল টাকা দিচ্ছে। অটোরিকশায় চাঁদাবাজি: রূপগঞ্জের অভ্যন্তরীণ সড়কের অটোরিকশার চালকেরা চাঁদা দিয়ে গাড়ি চালাচ্ছেন। অটোরিকশায় স্টিকার ব্যবহার করে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ টাকা আদায় করা হচ্ছে। স্থান অনুসারে ১০ টাকা থেকে ৭৫ টাকা পর্যন্ত অটোরিকশা চালকদের চাঁদা গুনতে হয়। স্থানীয় প্রভাবশালীদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। মামলা কিংবা কেউ গ্রেফতার হচ্ছে না। ইটের ভাটায় যত অনিয়ম: রূপগঞ্জের ইট ভাটাগুলোতে অনিয়মের অন্ত নেই। ফসলি জমি গভীর করে কেটে ইটভাটায় মাটি নেওয়া হচ্ছে। পোড়ানো হচ্ছে কাঠ। শিশু শ্রমে চলছে ইটভাটা। নারী শ্রমিকদের মজুরি কম দেওয়া হচ্ছে। কখনো কখনো শ্রমিকদের আটকিয়ে রেখে কাজ আদায় করা হচ্ছে। অবৈধ ইটভাটাগুলো দিনরাত চলছে। কোনো অভিযান নেই। দেদার চলছে ইটভাটায় নানা অনিয়ম। এমপি যা বললেন: নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য গোলাম দস্তগীর গাজী বীরপ্রতীক বলেন, অপরাধীরা যে দলেরই হোক ছাড় দেওয়া হবে না। ভূমিদস্যুসহ সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। অপরাধ কর্মকাণ্ড নির্মূলে তিনি সবার সহযোগিতা কামনা করেন। রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আহসান মাহমুদ রাসেল বলেন, ফুটপাত, নদী ও সরকারি জমি দখলদারীদের উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। রূপগঞ্জ থানার ওসি দীপক চন্দ্র সাহা পুলিশের বিরুদ্ধে করা বিভিন্ন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, চুরি, ডাকাতি, চাঁদাবাজি, ধর্ষণ, হত্যা, মাদক ব্যবসাসহ সব অপরাধ নির্মূলে পুলিশ তৎপর রয়েছে।
Published on: 2024-03-15 02:30:03.66099 +0100 CET