যায়যায়দিন
মানুষের ভাগ্য নিয়ে কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেব না : প্রধানমন্ত্রী

মানুষের ভাগ্য নিয়ে কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেব না : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আন্দোলন দেখে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না। আজ (সোমবার) দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘জাতীয় পাবলিক সার্ভিস দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদক’ প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘একটু আন্দোলন সংগ্রাম দেখলে ভয় পাবেন না; ভয় পাওয়ার কিছু নেই। জনগণ যতক্ষণ আমাদের সঙ্গে আছে…যারা আন্দোলন করতে চায়, জ্বালাও-পোড়াও করতে চায়, জ্বালাও পোড়াও করাটা আমরা সহ্য করবো না। সেটা কখনই মেনে নেওয়া যাবে না। ’ তিনি বলেন, ‘আন্দোলন-সংগ্রাম যাই করুক তাতে আমাদের আপত্তি নাই। কিন্তু আমাদের দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে আমরা আর কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেবো না। ’ গ্রামের মানুষ ভালো আছে দাবি করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখন ঢাকায় জিনিসপত্র নিয়ে যে হাহাকার, সেটা গ্রামে নাই। কারণ তারা নিজেরাই উৎপাদন করছে। গ্রামের মানুষ ভালোই আছে।’ সরকারপ্রধান বলেন, ‘আজকের বাংলাদেশ বিশ্বের উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। একসময়ে আমি নিজেও পৃথিবী অনেক যেতাম এবং থাকতাম। কোথাও কোনো সেমিনারে অংশগ্রহণ করলে বাংলাদেশ শুনলে বলত বাংলাদেশ দুর্যোগের দেশ, বাংলাদেশ গরিব দেশ, বাংলাদেশ সম্পর্কে একটা বিরূপ ধারণা ছিল। এটা সত্যি খুব কষ্ট দিত।’ ‘আমরা বিজয়ী জাতি। আমরা বিশ্বে মাথা উঁচু করে চলব। আমরা কেন মাথা নিচু করে চলব? আমার একটাই লক্ষ্য এই স্বাধীনতা ব্যর্থ হতে পারে না। আমরা হতে দেব না। দারিদ্র্যের হার ৪১ ভাগ থেকে কমিয়ে ১৮ ভাগে নামিয়ে এনেছি। ইনশাল্লাহ আরও কমিয়ে নিয়ে আসব।-যোগ করেন বঙ্গবন্ধুকন্যা। গৃহহীনদের ঘর দিতে সরকারের যে উদ্যোগ তাতে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা অনেক পরিশ্রম করেছেন বলে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী। তাদের ধন্যবাদ দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি ধন্যবাদ জানাই আমার তৃণমূলের একেবারে ইউনিয়ন পর্যায়ে পর্যন্ত যারা কাজ করেছেন। প্রত্যেকে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করেছেন।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ আজ উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছে। বাংলাদেশ আজ ২৭ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জন করেছে। অনুষ্ঠানে প্রশাসনের ২৮ কর্মকর্তা ও দুটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের হাতে বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদক তুলে দেন শেখ হাসিনা। যাযাদি/ এসএম
Published on: 2023-07-31 10:11:59.023587 +0200 CEST