যায়যায়দিন
ধর্ষণের পর হত্যা, প্রেমিকের ফাঁসি  শ্রীনগর (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি

ধর্ষণের পর হত্যা, প্রেমিকের ফাঁসি শ্রীনগর (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি

মুন্সীগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলার বাড়ৈখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির স্কুল ছাত্রী লায়লা আক্তার লিমুর (১৭) কে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে পরকীয়া প্রেমিক খোকনকে মৃত্যুদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। গত বৃহস্পতিবার মুন্সীগঞ্জ জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ফাইজুন্নেসা আসামি খোকন এর উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষনা করেন। শ্রীনগর উপজেলার বাড়ৈখালী বাজারের চাঁন সুপার মার্কেট এর দর্জিঘর নামের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক খোকন (৪০) এর সাথে পরকিয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। প্রেমের টানে লিমু প্রায়ই খোকনের দোকানে যেতো। ২০১৮ সালের ২৮ শে আগস্ট বিকালে লিমু ওই দোকানে গেলে খোকন তাকে টাকা দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে দোকানে রেখে রাতভর ফূর্তি করে। ভোরে লিমুকে দোকান থেকে চলে যেতে বলে। পরে লিমু টাকা দাবি করে। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে খোকন লিমুকে শ্বাসরোধ করে। হত্যা পর লাশ দোকানের র‍্যাকের ভেতর রেখে দেয়। এ ভাবে দুইদিন লাশ দোকানে রেখেই সে স্বাভাবিকভাবে দোকানদারি করতে থাকে খোকন। এদিকে লাশের পচা গন্ধ বের হলে খোকন তার দোকানে সুগন্ধি স্প্রে করে। ৩ দিনের মাথায় রাত ১১টার দিকে লিমুর লাশ বস্তায় ভরে সে ইছামতি নদীর পাড়ে ফেলে দেয়। পরেরদিন এলাকার স্থানীয়রা লাশ দেখে পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে খোকন পালিয়ে যায়। পরে ওই ঘটনায় লিমুর বাবা আব্দুল মতিন বাদী হয়ে শ্রীনগর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। সে সময়ের মুন্সীগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী মাকসুদা লিমার নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করে গাজীপুর এলাকা থেকে খোকনকে গ্রেপ্তার করা হয়। সে আদালতে ঘটনার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। খোকনের বাড়ি একই জেলার পাশ্ববর্তী সিরাজদিখান উপজেলার পাউসার গ্রামের বাসিন্দা। তার ২ টি ছেলে সন্তান রয়েছে। যাযাদি/ এস
Published on: 2023-08-25 11:00:30.964296 +0200 CEST