The Business Standard বাংলা
আইএমএফের প্রথম রিভিউ: রাজস্ব, রিজার্ভ বাড়াতে কর্মপরিকল্পনা নিয়ে প্রস্তুত বাংলাদেশ

আইএমএফের প্রথম রিভিউ: রাজস্ব, রিজার্ভ বাড়াতে কর্মপরিকল্পনা নিয়ে প্রস্তুত বাংলাদেশ

আগামী সপ্তাহে, ঈদের ছুটির পর, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) একটি প্রতিনিধি দল আসবে দেশে। তাদের কাছে জুনের মধ্যে রিজার্ভ ২৪.৪ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা ও আগামী অর্থবছরে কর-জিডিপি অনুপাত ০.৫ শতাংশ বাড়াতে সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনার বিষয়ে বিস্তারিত জানাবে আর্থিক ও রাজস্ব কর্তৃপক্ষ। ২৫ এপ্রিল থেকে প্রথম রিভিউ শুরু হবে। সেখানে বিস্তারিত জানানো হবে আইএমএফের ৪.৭ বিলিয়ন ডলারের ঋণের প্রথম কিস্তি পাওয়ার পর তাদের দেওয়া 'টাইমবাউন্ড' সংস্কার প্রতিশ্রুতির কতটা এখন পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয়েছে এবং আগামী নভেম্বরে দ্বিতীয় কিস্তি পাওয়ার জন্য কতটুকু সংস্কার করতে হবে। জুলাই মাসে শুরু হবে ২০২৩-২৪ অর্থবছর। এ অর্থবছরের বাজেটে কর-জিডিপি অনুপাত প্রতিশ্রুত পর্যায়ে পৌঁছানোর জন্য এনবিআরের প্রস্তুত করা বিশদ কর্মপরিকল্পনার বেশিরভাগের প্রতিফলন থাকবে। আগামী অর্থবছরে কীভাবে আয়কর, মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) এবং শুল্ক থেকে অতিরিক্ত ১৬ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয় করা যেতে পারে, তার ব্যাখ্যা রয়েছে সেখানে। অন্যদিকে রপ্তানি উন্নয়য় তহবিলের আকার কমানো এবং বিশ্বব্যাংক, এডিবি, এআইআইবি ও জাইকার মতো উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে জুনের মধ্যে প্রত্যাশিত ২ বিলিয়ন ডলার প্রাপ্তি কীভাবে নিট রিজার্ভ পুনরুদ্ধারে সহায়তা করবে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সামগ্রিক ভর্তুকি আইএমএফ-নির্ধারিত সীমায় আটকে রাখতে সরকার ইতিমধ্যে সারের দাম বাড়িয়েছে। বিদ্যুতের দামও দুই দফা বাড়ানো হবে। জ্বালানি তেলের মূল্য আগামী সেপ্টেম্বর থেকেই তিন মাস পর পর আন্তর্জাতিক বাজারদরের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে। চলতি অর্থবছরের তুলনায় আগামী অর্থবছরে নিট ভর্তুকির পরিমাণ কমিয়ে আনবে অর্থ মন্ত্রণালয়। আইএমএফের সঙ্গে অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বাক্ষরিত এমওইউ-তে প্রথম রিভিউয়ের জন্য যেসব টাইমবাউন্ড কর্মপরিকল্পনা রয়েছে, তার মধ্যে ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে একটি সাসটেইনেবল পাবলিক প্রকিউরমেন্ট পলিসি পেপার অ্যান্ড অ্যান অ্যাসোসিয়েট অ্যাকশন প্ল্যান টু ইনটিগ্রেট ক্লাইমেট অ্যান্ড গ্রিন ডাইমেনশনস প্রণয়নের কথা রয়েছে। সরকার এটি প্রণয়নের কাজ শুরু করেছে। ইতিমধ্যে, সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সামনের মাসগুলোর জন্য মূল্যস্ফীতির পূর্বাভাস এবং ২০২৩-২০৫ সময়কালের জন্য ব্যালান্স অভ পেমেন্টের আউটলুক তৈরির জন্য ভিত্তি তৈরি করেছে। সামাজিক নিরাপত্তা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের মতো খাতগুলোতে সরকারি ব্যয় বাড়াতে সার ও বিদ্যুতের দাম বাড়ানো এবং বিশ্ববাজারের সঙ্গে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় করে ভর্তুকি কমানোর জন্য এইএমএফের নির্দেশিকা অনুসারে অনেকগুলো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। অর্থ বিভাগের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়ে দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড কে বলেন, ঋণের শর্ত বাস্তবায়নের সার্বিক অগ্রগতিতে আইএমএফ টিম সন্তোষ হবে বলে আশা করছেন তারা। ওই কর্মকর্তা বলেন, 'ইন্টারেস্ট রেট করিডোর গ্রহণ করা, বাজারভিত্তিক বিনিময় হার প্রতিষ্ঠাসহ কিছু শর্ত জুলাই থেকে কার্যকর করতে হবে। সেগুলো কার্যকর করার প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংক। 'আইএমএফের শর্ত মেনেই আগামী বাজেটে খাতভিত্তিক অর্থ বরাদ্দ রাখবে অর্থ মন্ত্রণালয়।' তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, এখন পর্যন্ত গৃহীত পদক্ষেপগুলো ছিল কাগজপত্রে। এগুলো থেকে ফলও পাওয়া গেছে কম। কঠিন পদক্ষেপগুলো সামনে রয়ে গেছে। সেগুলো বাস্তবায়নের জন্য দৃঢ় প্রতিশ্রুতি প্রয়োজন। আইএমএফ ২০২৬ সাল পর্যন্ত সাত কিস্তিতে ঋণ বিতরণ করবে। ৩০ জানুয়ারি ৪৭৬.২ মিলিয়ন ডলারের প্রথম কিস্তি ছাড় করা হয়। পরবর্তী কিস্তি নভেম্বরে দেওয়ার কথা। আইএমএফ যদি এনবিআরের রাজস্ব আদায় বাড়ানোর পরিকল্পনায় সন্তুষ্ট হয় এবং আগামী জুনের মধ্যে নিট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২৪.৪৬ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়ায়, তাহলে বাংলাদেশ সহজেই আইএমএফের প্রথম রিভিউ উতরাতে পারবে। ২ মে বাংলাদেশ ছাড়ার আগে আইএমএফ মিশন অর্থ বিভাগ, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ, এনবিআর ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সিরিজ বৈঠক করবে। ঋণের দ্বিতীয় কিস্তি ছাড় নির্ভর করবে এই দলের প্রতিবেদনের ওপর। *শক্তিশালী পদক্ষেপ চান বিশ্লেষকরা* ঢাকায় বিশ্বব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, জুনের মধ্যে যে পরিমাণ নিট বৈদেশিক রিজার্ভ থাকার কথা, বাংলাদেশ ব্যাংক তা করে দেখাতে পারলে এবং জিডিপির অনুপাতে ০.৫ শতাংশ রাজস্ব আদায় বাড়ানোর উপযুক্ত কর্মপরিকল্পনা এনবিআর আইএমএফের সামনে তুলে ধরতে পারলে প্রথম রিভিউয়ে খুব সহজেই পার পাবে বাংলাদেশ। তিনি বলেন, 'এখন নিট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আমার ধারণা ১৯-২০ বিলিয়ন ডলার হতে পারে। সেক্ষেত্রে জুনের মধ্যে বাড়তি ৪ বিলিয়ন ডলার যোগ করতে হবে। এটা পূরণ করতে পারলে আইএমএফ সন্তুষ্ট হবে। না হলে বাংলাদেশ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের আউটলুক প্রণয়ন করার ক্ষেত্রে যেসব বিষয় বিবেচনা করে, সেটি সংশোধন করতে বলবে আইএমএফ।' জাহিদ হোসেন আরও বলেন, 'আগামী বাজেটে কর নীতি ও কর প্রশাসন সংস্কারে এনবিআর কোন ধরনের পরিকল্পনা করছে, তা যাচাই করবে আইএমএফ। কর ব্যয় কমিয়ে রাজস্ব আয় বাড়ানো, অটোমেশন ইত্যাদির ওপর জোর দেবে আইএমএফ।' জাহিদ হোসেন বলেন, 'রিজার্ভ আর রেভিনিউ টার্গেট পূরণ করতে পারলে বাংলাদেশের ঋণ ছাড় করা আটকাবে না। কারণ ঋণ অনুমোদনের আগেই বাংলাদেশের অনেক বিষয় আইএমএফ উপেক্ষা করেছে। মাল্টিপল এক্সচেঞ্জ রেট থাকার পর কোনো দেশকে আইএমএফের বাজেট সহায়তা দেওয়ার ঘটনা বিরল। কিন্তু ঋণ দেওয়ার আগে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে আইএমএফ এটাকে সিরিয়াসলি নেয়নি।' পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর টিবিএসকে বলেন, 'প্রথম রিভিউয়ের বেশিরভাগ বিষয়ই কাগজে-কলমে প্রস্তুতি নেওয়ার। সরকার সেগুলো ইতিমধ্যে করে রেখেছে। কিন্তু এনবিআর সংস্কার এবং ব্যাংক ও আর্থিক খাতে খেলাপি ঋণ কমানোসহ শৃঙ্খলা ফেরানোর ক্ষেত্রে তেমন কোনো পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না। এখনই উদ্যোগ না নিলে পরবর্তী রিভিউগুলো সফলতার সঙ্গে উতরানো কঠিন হবে।' তিনি বলেন, 'প্রথম রিভিউয়ের বেশিরভাগ কাজ ডকুমেন্টনির্ভর। সেগুলো সম্পন্ন করাও সহজ। তবে উপযুক্ত সংস্কার ছাড়া মাঠ পর্যায়ে কাজ করে রাজস্ব আয় বাড়ানো এবং খেলাপি ঋণ কমানো সরকারের জন্য কঠিন হবে। কিন্তু এ দুটি খাতে সংস্কার করার কোনো পদক্ষেপ এখনও দৃশ্যমান নয়। *এনবিআরের পরিকল্পনা* গত কয়েক বছরের মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট), আয়কর ও শুল্ক খাত থেকে রাজস্ব আয়ের প্রবৃদ্ধির তথ্য পর্যালোচনা করে সংস্থাটি দেখেছে, বিদ্যমান হারে প্রবৃদ্ধির পরও আইএমএফের শর্ত পূরণের জন্য অতিরিক্ত প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করতে হবে। এনবিআরের হিসাব অনুযাযী, আইএমএফকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুসারে কর-জিডিপি অনুপার বাড়াতে হলে রাজস্ব কর্তৃপক্ষকে শুল্ক খাতে বাড়তি ৪ হাজার ৮২৮ কোটি টাকা, আয়কর খাতে বাড়তি ৫ হাজার ৫৪৭ কোটি, ভ্যাট থেকে অতিরিক্ত ৪ হাজার ৮০০ কোটি টাকা রাজস্ব আহরণ করতে হবে। অতিরিক্ত রাজস্ব আদায়ে শুল্ক অব্যাহতি কমিয়ে আনা, শুল্কহার পুনর্বিন্যাস, বকেয়া শুল্ক আদায় কার্যক্রম জোরদার করা, দ্রুত মামলা নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া, নতুন শুল্ক আইন প্রণয়ন, শুল্ক আদায় প্রক্রিয়া অটোমেশন এবং কাস্টমস রিস্ক ম্যানেজমেন্ট ইউনিটকে তিন বছরের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ রূপে চালু করার পরিকল্পনা করেছে এনবিআর, যা আইএমএফকে জানানো হবে। একইভাবে আয়কর খাতে রাজস্ব বাড়াতে কর অব্যাহতি সুবিধা কমানো, করহার বাড়ানো, ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন সিস্টেম (ডিভিএস) চালু করা, ট্রান্সফার প্রাইসিং, ডিজিটাল ট্যাক্সেশনের ওপর জোর দেবে এনবিআর। বাড়তি ভ্যাট আদায়ে ভ্যাট অডিট জোরদার করা, ভ্যাট ফাঁকি রোধে ভ্যাট গোয়েন্দার কার্যক্রম গতিশীল করা, আয়কর অনুবিভাগের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যমে ভ্যাট আদায় বাড়ানো হবে। রাজস্ব আয় বাড়ানোর শর্ত পূরণ করতে আগামী বাজেটে কর অব্যাহতি সুবিধা সংকোচন করবে এনবিআর। দ্বিতীয় রিভিউয়ের আগেই ভ্যাট রিস্ক ম্যানেজমেন্ট ইউনিট গঠনের প্রস্তুতিও চলছে। ভ্যাট রিস্ক ম্যানেজমেন্টের জন্য বর্তমানে এনবিআরের কয়েকজন কর্মকর্তা কাজ করছেন। তাদেরকে নিয়েই ইউনিট গঠনের ঘোষণা বাজেটে থাকছে। গত ১৩ এপ্রিল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আয়োজিত কনসালটেটিভ সভায় এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রাহমাতুল মুনিম কর অব্যাহতি কমিয়ে আনার ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেন, 'আস্তে আস্তে সাপোর্ট কমে আসতে পারে। স্থানীয় যেসব শিল্পের সক্ষমতা তৈরি হয়েছে, এখন ভ্যাট-ট্যাক্স এর লোড নেবেন। অনেকের এখন ট্যাক্স দেওয়ার সক্ষমতা তৈরি হয়েছে।' এনবিআরের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা টিবিএসকে বলেন, গত মার্চ পর্যন্ত রাজস্ব আদায় আইএমএফের দেওয়া লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী অর্জিত হয়েছে। 'বাকি তিন মাসের পরিস্থিতি কী হয়, বলা যাচ্ছে না,' বলেন ওই কর্মকর্তা। *আইএমএফ ঋণের শর্তসমূহ* আইএমএফের ঋণ চুক্তিতে প্রায় ৩৮টি শর্ত রয়েছে। এর মধ্যে আগামী জুন ও সেপ্টেম্বরের মধ্যে যেগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে সেগুলোর বাস্তবায়ন পরিস্থিতি যাচাই করবে সংস্থাটি। এছাড়া ২০২৪ সালের জুনের মধ্যে যেসব শর্ত বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করেছে সরকার, সেগুলো বাস্তবায়নের জন্য আসছে বাজেটে কী কী উদ্যোগ থাকছে, তা-ও পর্যালোচনা করবে সংস্থাটি। রিভিউ মিশনটি সুদের হার করিডর ব্যবস্থা বাস্তবায়নের বর্তমান অবস্থা, চ্যালেঞ্জ ও সময়; বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রাতিষ্ঠানিক স্বায়ত্তশাসন ও শাসনব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার জন্য আইএএমএফের ২০২২ সালের সুরক্ষা মূল্যায়নের সুপারিশের অবস্থা; বিনিময় হারের গতিবিধি; কার্ব মার্কেট; বিনিময় হার নীতি; বৈদেশিক ঋণ ছাড়ের তথ্য; সাম্প্রতিক বাণিজ্যিক পারফর্ম্যান্স; এফডিআই প্রক্ষেপণ; জাতীয় সঞ্চয়পত্র সংস্কার ইত্যাদি খতিয়ে দেখবে। বাংলাদেশকে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো কর্মক্ষমতার অবস্থা এবং নন-পারফর্মিং লোন ও রিক্যাপিটালাইজেশন, তারল্য ও বৈদেশিক মুদ্রার ঘাটতির পাশাপাশি ঋণ কার্যক্রম মোকাবিলার পরিকল্পনার অবস্থা জানানোর জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক প্রকাশিত অ্যানুয়াল ফাইন্যান্সিয়াল স্ট্যাবিলিটি রিপোর্টে ব্যাংকগুলোর পুনঃতফসিল করা ঋণ এবং নন-পারফর্মিং লোনের তথ্য পৃথকভাবে তুলে ধরার শর্ত দিয়েছে আইএমএফ। এ শর্ত পূরণে বাংলাদেশ ব্যাংক কী করছে, তা সফরকালে যাচাই করবে আইএমএফ। আগামী জুনের আগে ব্যাংক কোম্পানি আইনের খসড়াটি বিল আকারে জাতীয় সংসদে উত্থাপনের শর্ত রয়েছে আইএমএফের। ইতমধ্যে খসড়াটি মন্ত্রিসভা চূড়ান্ত অনুমোদন করেছে। আসছে বাজেট অধিবেশনে এটি বিল আকারে উত্থাপন করবে অর্থ মন্ত্রণালয়। ঢাকায় সপ্তাহব্যাপী সফরকালে আইএমএফের প্রতিনিধি দলটি অর্থনীতিতে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রভাব পর্যালোচনা করবে এবং সরকারের চাহিদা ব্যবস্থাপনার পদক্ষেপের ফলে জ্বালানি আমদানি কতটা কমেছে, তা পর্যালোচনা করবে। ঋণের তৃতীয় ও চতুর্থ কিস্তি ছাড়ের আগে সেপ্টেম্বর ও ২০২৪ সালের এপ্রিল-মে মাসে আরও দুটি রিভিউ করবে আইএমএফ।
Published on: 2023-04-20 19:10:25.224076 +0200 CEST