The Business Standard বাংলা
ব্যাংক যখন ক্ষুদ্রঋণদাতা, লাভ তখন উভয়পক্ষেরই

ব্যাংক যখন ক্ষুদ্রঋণদাতা, লাভ তখন উভয়পক্ষেরই

মোহাম্মদ মোস্তফা, পেশায় কামার। তাকে কাজ করতে হতো ম্যানুয়াল যন্ত্রপাতি দিয়ে। এসব সরঞ্জাম দিয়ে কাজ করতে পরিশ্রম হয় বেশি কিন্তু ফল পাওয়া যায় কম। তাই মোস্তফা ঠিক করলেন, তার কামারশালাকে যান্ত্রিকীকরণ করবেন। কিন্তু স্থানীয় এনজিওগুলোর কাছ থেকে চড়া সুদের ছোট ঋণ নিয়ে সেটি সম্ভব নয়। তবে ২০২০ সালে সময়োপযোগী ১০ লাখ টাকার একটি ব্যাংকঋণ মোস্তফার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। এ ঋণের টাকা দিয়ে তিনি একটি বৈদ্যুতিক হিট মেশিন কিনে সেটি হাপরের জায়গায় বসান। আগে লোহা গলানো এবং গৃহস্থালি ও কৃষি-সরঞ্জাম তৈরির জন্য আগুনে বাতাস দিতে তাকে এই শ্রমঘন হাপর ব্যবহার করতে হতো। গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় মোস্তফার গ্রামের বাড়িতে স্থাপিত লোহার ওয়ার্কশপটি এখন ১০ থেকে ১৫ জন মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি করেছে। পাশাপাশি এর সরবরাহ চেইনের ওপর নির্ভর করে আরও ১০০ জন মানুষ জীবিকা নির্বাহ করছে। এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংকের উপশাখা মোস্তফার দোরগোড়ায় না থাকলে তিনি কখনোই ঋণের জন্য ব্যাংকের কাছে যাওয়ার কথা ভাবতেন না। এ উদ্যোগের ইতিবাচক প্রভাবের কথা নিশ্চিত করে মোস্তফা বলেন, 'আমরা বাপ-দাদার সময় থেকে দরিদ্র। কর্মকারের কাজ সবসময় পেতাম না। আগে দৈনিক ২০০-৩০০ টাকার কাজ পেতাম। আর এখন মাসে ২-৩ লাখ টাকার কাজ করি। আর এটা সম্ভব হয়েছে ব্যাংকের উপশাখার ঋণের কারণে।' ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাইরে থাকা ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং নেটওয়ার্কের আওতায় আনার লক্ষ্যে ২০১৯ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে প্রত্যন্ত অঞ্চলে উপশাখা স্থাপনের অনুমতি দেওয়ার উদ্যোগ নেয়। এ পদক্ষেপের সুফল এখন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। উদ্যোগটি গ্রামীণ এলাকায় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে বেগবান করেছে; পাশাপাশি একসময় প্রথাগত ব্যাংকিং সুবিধাপ্রাপ্তি ছাড়া যেসব উদ্যোগ নেওয়া অকল্পনীয় ছিল, সেসব উদ্যোগ নেওয়ারও সুযোগ করে দিচ্ছে মানুষকে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক একটি নির্দেশনা জারি করে। এ নির্দেশনা অনুসারে, ব্যাংকগুলোকে তাদের উপশাখাগুলোর অন্তত ৬০ শতাংশ সিটি কর্পোরেশন ও পৌর এলাকার বাইরে স্থাপন করতে হবে। এছাড়া কাছাকাছি অবস্থিত পূর্ণাঙ্গ শাখাগুলোর মধ্যকার দূরত্ব হতে হবে ন্যূনতম ১ কিলোমিটার। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. মেজবাউল হক ব্যাংকিং সেবাকে ব্যাপকভাবে সহজলভ্য করার জন্য অন্যতম মূল উদ্যোগ হিসেবে উপশাখার গুরুত্বের ওপর জোর দেন। এই লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ব্যাংকিং সেবাগুলো এখন মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে বলেন, ব্যাংকিং সুবিধার আওতা আরও সম্প্রসারিত করার লক্ষ্যে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও বেশিসংখ্যক উপশাখা প্রতিষ্ঠা ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীগুলোকে ঋণদানের জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে। *প্রত্যন্ত গ্রামেও পৌঁছে গেছে ব্যাংকিং সেবা* মোবাইল ব্যাংকিং, এজেন্ট ব্যাংকিং বা ব্যাংক বুথের মতো আগে চালু করা ব্যাংকিং সেবাগুলোর উন্নত বিকল্প হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে উপশাখা ধারণাটি। আগের সেবাগুলো গ্রামীণ আর্থিক লেনদেনকে সহজ করলেও প্রথাগত ব্যাংক শাখার দেওয়া বিস্তৃত সেবাগুলো দিতে পারে না। ২০১৯ সালে দেশে ব্যাংকগুলোর উপশাখা ছিল ৩৯০টি। মাত্র চার বছরের ব্যবধানে গাইবান্ধা থেকে ময়মনসিংহ, নোয়াখালী পর্যন্ত বিভিন্ন ব্যাংকের প্রায় ৩,৫০০ উপশাখা এখন সারা দেশে নতুন উদ্যোক্তাদের সেবা দিচ্ছে। যশোর শহর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত বসুন্ধিয়া ইউনিয়নের ছোট বাজারেও ব্যাংকিং সেবা চালু হয়েছে। ম্যানেজার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহ আরও চারজন কর্মচারী ওয়ান ব্যাংকের বসুন্ধিয়া উপশাখায় কাজ করেন। গত চার বছরে এই উপশাখা প্রায় ৩,০০০ মানুষকে ব্যাংকিং সেবার আওতায় নিয়ে এসেছে, যাদের বেশিরভাগই কৃষক। তাদের মধ্যে একজন কৃষক আব্দুল্লাহ আল মামুন। গরুর খামার গড়ে তোলার ইচ্ছা থাকলেও প্রয়োজনীয় অর্থের ব্যবস্থা করতে পারেননি। মামুন বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ নিলেও টাকা কম ও সুদের হার বেশি হওয়ায় খামারটি গড়ে তুলতে পারেননি। তবে ওয়ান ব্যাংকের উপশাখা থেকে ৩ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে মামুন এখন তার স্বপ্ন বাস্তবায়নে আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছেন। মামুন বলেন, 'এত সহজে ঋণ পাওয়া যায়, আমার ধারণাও ছিল না। শুরুতে ৩ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছি, ভবিষ্যতে আরও নেব।' উপশাখা থেকে ঋণ নিয়ে দারিদ্র্যকে জয় করার আরেক উদাহরণ আঁখিমণি। রংপুরের তাজহাটে ছোট কাপড়ের দোকান ছিল তার। পুঁজির অভাবে ঠিকমতো ব্যবসা করতে পারছিলেন না। ২০১৫ সালে হস্তশিল্পের প্রশিক্ষণ নিয়ে ঐতিহ্যবাহী শতরঞ্জি তৈরির কাজ শিখলেও অর্থের অভাবে উদ্যোক্তা হতে পারেননি। একটি ব্যাংকের উপশাখা থেকে ৫ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে আঁখিমণি ৭টি শতরঞ্জি তৈরির তাঁত কেনেন। এরপর তাকে আর পেছনে তাকাতে হয়নি। আঁখিমণি এখন বাড়ি বাড়ি তাঁত বসিয়ে দিচ্ছেন। নারীরা অবসর সময়ে কাজ করছেন। এখন প্রতি মাসে এক লাখ টাকার মতো মুনাফা হচ্ছে আঁখিমণির। শিগগিরই নিজের একটি কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে তার। থানা শহর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটর দূরে গোবিন্দগঞ্জের গোবিন্দি গ্রামে গিয়ে দেখা যায় নদীর ঠিক তীরে গ্রামের ছোট বাজারে এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংকের একটি উপশাখা। দালানকোঠা ছাড়া আধাপাকা ঘরে তিনজন কর্মকর্তা গ্রামের দরিদ্র মানুষকে ব্যাংকিং সেবা দিচ্ছেন। মানুষজনও স্বচ্ছন্দে অ্যাকাউন্ট খোলা, বিল জমা দেওয়া, ঋণ নেওয়া, রেমিট্যান্স আনার মতো ব্যাংকের প্রায় সব ধরনের সেবা নিচ্ছেন এখানে। উপশাখাটিতে কর্মরত কর্মকর্তারা স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ পরিবেশে গ্রাহকদের সেবা দেন। লুঙ্গি-গেঞ্জি পরেও ব্যাংকে আসতে পারছেন মানুষজন। উপশাখাটির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাহিদ টিবিএসকে বলেন, ৩ বছরে প্রায় ২,০০০ মানুষ তাদের সেবায় যুক্ত হয়েছেন। লক্ষণীয় ব্যাপার হচ্ছে, যেসব মানুষ ব্যাংকিং সেবা বুঝতেন না, তাদের মধ্যেই উপশাখাটি সাড়ে ৯ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করেছে। মোহাম্মদ নাহিদ জানান, এনজিওর উচ্চসুদ থেকে বেরিয়ে এসে মাত্র ৯ শতাংশ সুদে ঋণ নিতে মানুষজন আগ্রহী হচ্ছেন। একটু দেখেশুনে জামানত ছাড়াই ঋণ দিচ্ছে ব্যাংক। ঋণ দেওয়ার পর উদ্যোক্তাদের জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও করছে। এছাড়া গোবিন্দি গ্রামের উপশাখার ঋণ আদায়ের হারও শতভাগ বলে জানান মোহাম্মদ নাহিদ। রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ বিভাগের বিভিন্ন জেলায় ৬৪ হাজার উদ্যোক্তা তৈরি করেছে এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক। এর পুরোটাই এসেছে গ্রামীণ পর্যায়ের ৬৪১টি উপশাখার মাধ্যমে। সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলা ভারত সীমান্তে অবস্থিত। খাসিয়া সম্প্রদায় অধ্যুষিত এ উপজেলায় আইএফআইসি ব্যাংকের একটি উপশাখা ব্যাংকিং সেবা দিচ্ছে। ২০২১ সালের নভেম্বরে স্থাপিত এ উপশাখায় দুজন কর্মকর্তা কাজ করছেন। এই উপশাখাটি গত দেড় বছরে ১,০০০ জনেরও বেশি মানুষকে ব্যাংকিং সেবার আওতায় নিয়ে এসেছে। উপশাখাটির ম্যানেজার জুবায়ের আহমেদ বলেন, 'মাত্র দেড় বছরে আমরা ব্যাপক সাড়া পেয়েছি। কোনোরকমের প্রসেস ফি না নিয়েই মাত্র ১০ টাকায় অ্যাকাউন্ট খুলে মানুষকে সেবা দিচ্ছি। আমরা কৃষকদের মধ্যে ৫০ হাজার থেকে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দিয়ে থাকি। এ পর্যন্ত আমরা ৪ কোটি টাকা আমানত পেয়েছি। এনজিও ছেড়ে মানুষ আমাদের কাছে আসছে।' *ব্যয়-সাশ্রয়ী মডেল* এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংকের চেয়ারম্যান পারভেজ তমাল টিবিএসকে বলেন, ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম ব্যবসায়িকভাবে সফল করতে তারা উপশাখা চালু করেছেন। 'স্বল্প খরচে স্বল্প জায়গায় অল্পসংখ্যক কর্মী দিয়ে আমরা প্রত্যন্ত জনপদে সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করছি। আমাদের লক্ষ্য হলো ২০২৪ সালের মধ্যে ১ লাখ উদ্যোক্তা তৈরি করা,' বলেন তিনি। উপশাখা হলো ব্যাংকের শাখার আদলে ছোট পরিসরের ব্যাংক। কম খরচে আর্থিক সেবা দিতে একটি শাখার অধীনে কয়েকটি উপশাখা কাজ করে। তবে ব্যাংকের সব সেবাই পাওয়া যায় উপশাখায়। একটি উপশাখায় সাধারণত সর্বোচ্চ ১০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী কাজ করেন। তবে কোনো কোনো উপশাখা মাত্র দুজন কর্মকর্তা দিয়েও চালাতে দেখা যায়। কম লোকবল নিয়োগ দেওয়ায় এবং সাজসজ্জা কম করায় উপশাখার পেছনে খরচ কম হয়। *বাড়ছে জনপ্রিয়তা* এবি ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকসহ অনেক ব্যাংকই এখন একই মডেলে গ্রামীণ পর্যায়ে উপশাখায় মনোযোগী হচ্ছে। বিপুল অর্থ খরচ করে বৃহৎ পরিসরে শাখা খোলার বদলে শহরেও উপশাখা চালুর দিকেই বেশি নজর দিচ্ছে প্রায় সব ব্যাংক। এতে কম খরচে ব্যাংকিং সেবা ছড়িয়ে পড়ছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। তার বদৌলতে তৈরি হচ্ছে নতুন গ্রাহক, বাড়ছে আমানত। এতে ব্যাংকিং সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা হয়ে উঠছে উপশাখা মডেল। একই সঙ্গে উপশাখাগুলো আর্থিক অন্তর্ভুক্তির অগ্রগতিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নেবে বলে মনে করছেন ব্যাংকার ও বিশ্লেষকেরা। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, দেশে ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে ব্যাংকগুলোর মোট উপশাখা ছিল ৩৯৩টি, যা ২০২২ সালের ডিসেম্বরে বেড়ে দাঁড়ায় ৩,৪১১টিতে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ১,২৯০টি উপশাখা আছে বেসরকারি খাতের আইএফআইসি ব্যাংকের। ৬৪১টি উপশাখা নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক। উল্লেখযোগ্য অন্য ব্যাংকগুলোর মধ্যে ইসলামী ব্যাংকের ২২৯টি, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের (এসআইবিএল) ১৯৫টি ও ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের ১৬০টি উপশাখা রয়েছে, আর এবি ব্যাংকের রয়েছে ৩২টি উপশাখা। ব্যাংকের স্বাভাবিক সেবার পাশাপাশি উপশাখার মাধ্যমে স্মার্ট এগ্রিলোনও দিচ্ছে এবি ব্যাংক। এসব উপশাখার মাধ্যমে এখন পর্যন্ত ৪০০ ইউনিয়নের ১,০০০ কৃষককে ঋণ দিয়েছে ব্যাংকটি। এবি ব্যাংকের নোয়াখালীর মাইজদি উপশাখার ম্যানেজার টিবিএসকে বলেন, মাত্র তিন মাসে তারা ৩০০ গ্রাহক পেয়েছেন। 'যেসব মানুষ ব্যাংকিং সেবা পেত না, তাদের অন্তর্ভুক্ত করতে পেরেছি। নোয়াখালীতে রেমিট্যান্স বেশি হলেও আমরা কৃষকদেরও ঋণ দিচ্ছি,' বলেন তিনি। সারা দেশে প্রায় সব উপজেলায় উপশাখা স্থাপনের পাশাপাশি শহরগুলোতে উপশাখা স্থাপন করে আইএফসি ব্যাংক তাদের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারিত করেছে। আইএফআইসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সিইও মোহাম্মদ শাহ আলম সারওয়ার টিবিএসকে বলেন, তাদের লক্ষ্য হলো শহরে প্রতি তিন মাইল এবং গ্রামে প্রতি পাঁচ মাইলের মধ্যে উপশাখা স্থাপন করা। তিনি বলেন, 'এই উপশাখাগুলো পূর্ণাঙ্গ শাখার মতোই বিস্তৃত ব্যাংকিং সেবা দেবে। এর মাধ্যমে আমরা এক কোটি পরিবারকে ব্যাংকিং সেবার সঙ্গে যুক্ত করতে চাই। এ লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রযুক্তি, ব্যবসায়িক মডেল ও মানব সম্পদে উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ করা হয়েছে।'
Published on: 2023-07-09 19:40:10.995544 +0200 CEST