The Business Standard বাংলা
ভাষার খোঁজখবর

ভাষার খোঁজখবর

ঈশ্বর আদমের সাথে প্রথম যে ভাষায় কথা বলেন, তা হচ্ছে হিব্রু (এই ফিকশনাল স্টেটমেন্টটি গ্রহণ করা না করা ব্যক্তির ইচ্ছানির্ভর)। ফ্রেঞ্চরা কয়েকবার ইংরেজদের কাছে যুদ্ধে পরাজিত হবার পর, এক ফ্রেঞ্চ সৈনিক ইংরেজ সৈনিককে বলল, 'এত ভালো যুদ্ধ করেও আমরা হেরে যাচ্ছি'। তোমাদের বিজয়ের রহস্যটা কি? ইংরেজ বলল, 'আমরা প্রতিটি যুদ্ধের শুরুতে ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করে থাকি'। ফ্রেঞ্চ বলল, 'আমরাও তো তা-ই করি'। ইংরেজ বলল, 'করলেই হলো, তোমরা কেমন করে আমা/// করো ঈশ্বর তোমাদের ফ্রেঞ্চ ভাষা বুঝবেন?' (এটিও ফিকশন)।  মহাশূন্যে ব্যবহৃত প্রথম ভাষা রুশ, ইংরেজি নয় (এটি  ফিকশন নয়)। পবিত্র ভাষা যদিও প্রধান ধর্মীয় ভাষাগুলো হয়ে থাকে, তাহলে জেনে রাখুন, ধর্মীয় ভাষার ভবিষ্যৎ অন্ধকার। হিব্রু, ল্যাটিন ও সংস্কৃত হারিয়ে  গেছে। ইসলাম তুলনামূলকভাবে নবীন ধর্ম। তবে কোরআনের ভাষা এবং ব্যবহারিক আরবি ভাষার মধ্যে অনেক ফারাক রয়েছে। *এই লেখাটিতে কেবল জানার জন্য নন-ফিকশনাল কিছু ভাষা তথ্য তুলে ধরা হবে* এশিয়া মহাদেশে ব্যবহৃত ভাষা ২৩০০-এর বেশি, আফ্রিকাতে ২১৩৮ এবং ইউরোপে ২৮৬০। সাম্রাজ্য বিস্তারের প্রধান ভাষা ছিল ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ, স্প্যানিশ, ডাচ ও পর্তুগিজ। পৃথিবীর প্রাচীনতম লিখিত ভাষা সুমারিয়ান সূচিত হয় খ্রিষ্টজন্মের ৩৫০০ বছর আগে, অতঃপর মিসরীয় খ্রিষ্টজন্মের ৩৩০০ বছর আগে; চীনা লিখিত ভাষার সূচনা খ্রিষ্টজন্মের ১২৫০ বছর আগে। ফ্রেঞ্চভাষী অধিকাংশ জনগণের নিবাস ফ্রান্স তথা ইউরোপ নয়, আফ্রিকা। ফ্রেঞ্চ ৩০০ বছরেরও অধিককাল ধরে ইংল্যান্ডের একটি সরকারি ভাষা। ইংলিশ, ফ্রেঞ্চ, স্প্যানিশ ও জার্মানের পর ইউরোপের পঞ্চম সর্বোচ্চ লেখ্য ভাষা হচ্ছে ইতালিয়ান। ইউরোপের সর্বাধিক বিস্তৃত নেটিভ ল্যাঙ্গুয়েজের নাম জার্মান, ইংলিশ নয়। ইংরেজদের নিত্যব্যবহার্য ভাষায় ৩০০০ স্প্যানিশ শব্দ রয়েছে। পর্তুগিজ ভাষার নেটিভ ব্যবহারকারী অন্তত ১৭ কোটি ৮০ লক্ষ। ল্যাটিনের সাথে সম্পর্কচ্ছেদ করে বেরিয়ে আসা প্রথম রোমাঞ্চ ভাষা রোমানিয়ান। নরওয়েজিয়ান ভাষার স্বীকৃত লেখ্যরূপ দু'টি: একটি বকমাল (বইয়ের ভাষা), অন্যটি নাইনর্থক (নয়া নরওয়েজিয়ান)। সকল সুইডিশের জন্য প্রমিত সুইডিশ ভাষা চালু হয় বিংশ শতকে। ড্যানিশ ভাষা ব্যবহৃত হয় ডেনমার্ক, গ্রিনল্যান্ড, জার্মানি এবং ফ্যারক দ্বীপপুঞ্জে। লিথুয়ানিয়ান ভাষার সাথে সংস্কৃত ভাষার সাদৃশ্য রয়েছে। খ্রিষ্টজন্মের ১৪০০ বছর আগে থেকে লিখিত গ্রিক ভাষা বিরাজমান ছিল। ১০ম শতাব্দী থেকে এ পর্যন্ত হাজার বছর পেরিয়ে গেলেও ফারসি ভাষায় তেমন কোনো পরিবর্তন ঘটেনি। ২২টি দেশের দাপ্তরিক ভাষা আরবি। নেটিভ স্পিকার সবচেয়ে বেশি ম্যান্ডারিন ভাষায়, সংখ্যাটি ৮৪টি কোটি ৫০ লক্ষ। ক্যান্টোনিজ মূলত বাণিজ্যের ভাষা, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ব্যবহৃত। কোন শব্দ একবচন আর কোনটা বহুবচন, জাপানিজে তা প্রকাশ করার কোনো সুযোগ নেই। পোলিশ ২৯তম সর্বাধিক ব্যবহৃত ভাষা। বুলগেরিয়ান ভাষার বর্ণমালার অনেক অক্ষরের উচ্চারণ ধ্বনি একই রকম। চেক একমাত্র ভাষা, যার বর্ণমালায় কোমল আর (r) একটি অক্ষর। স্লোভাক ভাষার বানানরীতি খুব সহজ-যেমন শোনা যাচ্ছে, ঠিক তেমনই লিখো। রুশ ভাষা লেখা হয় ক্রিলিক স্ক্রিপ্টের ওপর, যার ভিত্তি গ্রিক বর্ণমালা। ইউক্রেন স্বাধীন হওয়ার দুই বছর আগে ১৯৮৯ সালে ইউক্রেনিয়ান দাপ্তরিক ভাষা ঘোষিত হয়। ইউক্রেন স্বাধীন হয় ২৪ আগস্ট ১৯৯১। তুর্কি বর্ণমালা সংস্কারের বড় বৈশিষ্ট্য আরবি হরফ বর্জন; ল্যাটিন বর্ণমালার উপর ভিত্তি করে সকল তুর্কি বর্ণমালা প্রণীত হয়। এই সংস্কার ১৯২৮ সালের। দক্ষিণ কোরিয়ানরা তাদের কোরিয়ান ভাষাকে বলে হানগুঙ্গমাল; উত্তর কোরিয়ানরা বলে চমোনমাল। দুই ভাষায় ভিন্নতাও রয়েছে। এস্তোনিয়ান ভাষার প্রায় এক হাজার শব্দ শেষ বরফ যুগ থেকে উঠে এসেছে। হাঙ্গেরিয়ান ভাষার সাথে হাঙ্গেরির কোনো প্রতিবেশী দেশের ভাষার মিল নেই। ফিলিপাইনে ব্যবহৃত ভাষা ও উপভাষার সংখ্যা ৭০, এর মধ্যে তাগালোগ ভাষাকে জাতীয় ভাষা হিসেবে গ্রহণ করা হয়। থাই ভাষায় `s'-কে চার ভাবে এবং `t'-কে ছয়ভাবে লেখা হয়ে থাকে। পৃথিবীতে বিরাজমান ভাষার সংখ্যা ৭ হাজারের কাছাকাছি; এর মধ্যে বহুল ভাষা ব্যবহারকারী শহর হচ্ছে লন্ডন। ব্যবহৃত ভাষা তিন শর অধিক। চায়নিজ ম্যান্ডারিনকে মনে করা হয় সবচেয়ে কঠিন ভাষা। বর্ণমালাগুলো চিত্র প্রতীকী। ম্যান্ডারিনভাষী চীনাদের অন্তত ৮০০০ প্রতীক মনে রাখতে হয়। তবে কোনোভাবে পত্রিকা পড়ার জন্য কমপক্ষে বহুল প্রচলিত ৩০০০ প্রতীক জানা নিতান্ত জরুরি। বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর একটি মিলনক্ষেত্র যুক্তরাষ্ট্র। এখানে ব্যবহৃত ভাষা কমপক্ষে ৩০০; তবে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো দাপ্তরিক ভাষা নেই। অনেকেই ইংরেজিকে দাপ্তরিক ভাষা মনে করে থাকেন, বাস্তবে তা নয়; যদিও ইংরেজি বৈশ্বিক ভাষায় পরিণত হয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকার দাপ্তরিক ভাষা ১১টি। বিগত বছরগুলোতে বিলয়প্রাপ্ত ভাষার সংখ্যা ২৪১। পৃথিবীর অর্ধেকসংখ্যক মানুষ মাত্র ২৩টি ভাষা ব্যবহার করে থাকে। পাপুয়া নিউগিনি হচ্ছে ভাষার সুপার পাওয়ার। দেশটির মোট ভাষা ৮০০ ছাড়িয়ে। পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম মুদ্রিত ভাষা হচ্ছে জার্মান। ফ্রেঞ্চভাষীদের সবচেয়ে বড় শহর প্যারিস, ফ্রান্সের রাজধানী। দ্বিতীয় বৃহত্তম ফ্রেঞ্চভাষীদের শহর বহু দূরে, সেটি কঙ্গোর রাজধানী কিনশাশা। *৯ ডিসেম্বর ২০১৬* মৃত্যু ঘটল মান্দান ভাষার। যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ড্যাকোটা অঞ্চলের এই ভাষাটির মৃত্যুর কারণ এই ভাষা ব্যবহারকারী সর্বশেষ জীবিত ব্যক্তির মৃত্যু। ১৯৯৯ সালে প্রায় সার্বক্ষণিক মান্দান ভাষা ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল ছয়জন। ২০০৯ সালে টিকে থাকলেন শুধু একজন; ড. এডউইন বেনসন। তিনি নিজে এই ভাষার শিক্ষক ও বিশিষ্ট পণ্ডিত। তার জন্ম ২৩ অক্টোবর ১৯৩১, নর্থ ড্যাকোটার এলবো উড এলাকায়। যখন সেখানে গ্যারিসন ড্যাম নির্মাণ করা হয়, তখন বেনসন পরিবারকে নর্থ ড্যাকোটার টুইন বাটস এলাকায় বিকল্প আবাসন দেওয়া হয়। এডউইন বেনসন বহু ভাষাবিদ। দুটি মরণাপন্ন ভাষা মান্দান ও হিদাতসার পুনরুজ্জীবনে তিনি কাজ করে গেছেন। ৯ ডিসেম্বর ২০১৬ তার মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে বাস্তবে ভাষাটিও বিলুপ্ত হয়। ফোর্ট বার্টহোল্ড কমিউনিটি কলেজে আরও কয়েকটি বিলুপ্ত ও বিপদাপন্ন ভাষার সঙ্গে মান্দানও পড়ানো হয়। এই ভাষার একটি লিখিত রূপ আছে। ১৮৩০ দশকে প্রিন্স ম্যাক্সিমিলান বহু সময় ব্যয় করে এই ভাষার কথোপকথন রেকর্ড করেন। ধ্বনি ও চিহ্ন মান্দান শব্দের ভিন্ন ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে। শুধু ধ্বনিভেদে 'সায়ার' মানে হলুদ রং, মেটে রং ও বাদামি রং। *ইংরেজির কিছু খুঁটিনাটি* শুরুর দিকে ইংরেজি বর্ণমালার অক্ষর ছিল ২৯টি। ১০১১ সালের ওল্ড ইংলিশ অ্যালফাবেটস রেকর্ড ২৯-এর সাক্ষ্য  দেয়। এখান থেকে ৬টি ঝরে যায় অক্ষর সংখ্যা দাঁড়ায় ২৩টিতে। পরবর্তী সময় J U W যোগ হয়। ১৮৩৫ সালে ২৭ অক্ষরের দেখা পাওয়া যায়। শেষ অক্ষর  Z-এর পর অ্যাম্পারসেডের চিহ্নজ্ঞাপক Ô&'/// এখন আর বর্ণমালার অংশ নয়। ইয়াচ, ইজেল, কুকি এবং ফ্রেইট ইংরেজি ভাষায় ডাচ অবদান। এই শব্দগুলো মূলত তাদের। সেলফি (selfie) শব্দটির ব্যবহার ২০১২ থেকে ২০১৩-এর মধ্যে ১৭ হাজার শতাংশ বেড়েছে। লিখিত ইংরেজির ২৫% জুড়ে থাকে মাত্র ১১টি শব্দ: a, and, be, have, he I, in, of, that, the, Ges to অভিধানে উল্লিখিত এবং অনুল্লিখিত ইংরেজি ভাষার শব্দসংখ্যা আনুমানিক সাড়ে সাত লক্ষ। প্রতিবছর গড়পড়তা ৫৪০০ শব্দ ইংরেজির ভাণ্ডারে যোগ হচ্ছে, তবে এর মধ্যে প্রায় এক হাজার শব্দ মানুষের নিত্যব্যবহারের অন্তর্ভুক্ত হয়। ইংরেজি ভাষায় সবচেয়ে বেশিসংখ্যক শব্দ সৃষ্টির কৃতিত্ব উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের, তার অবদান প্রায় ১৭০০ শব্দ এবং বহুসংখ্যক ইংরেজি বাগধারা। ইংরেজির উপভাষার সংখ্যা ১৬০-এর অধিক। নিত্য নতুন শব্দ ভাষায় যোগ হওয়ার প্রশ্নে উদারতম ভাষা হচ্ছে ইংরেজি। এজন্য এটাকে বলা হয় মোস্ট ইভলভিং ল্যাঙ্গুয়েজ। ইংরেজি কিন্তু ইংল্যান্ডে উদ্ভূত কোনো ভাষা নয়, বরং জার্মানিতে। জার্মানির পশ্চিমাঞ্চলের অ্যাঙ্গলসদের সৃষ্ট ভাষাই ইংলিশ। এই ভাষার বর্ণমালার উৎস গ্রিক। নাইজেরিয়াতে ইংরেজিভাষীর সংখ্যা ইংল্যান্ডের চেয়ে বেশি। বিশ্বে ইংরেজির জয়জয়কার হলেও ইংলিশ ও ব্রিটিশ রয়্যালটির মটো ফ্রেঞ্চ ভাষায় লিখিত। প্রমিত ইংরেজি ভাষা নির্ধারণের জন্য বিধিবদ্ধ কোনো প্রতিষ্ঠান ইংল্যান্ডে সৃষ্টি করা হয়নি। *আরও আরও ভাষা তথ্য* আধুনিক লিখিত আরবি ভাষার বিভিন্ন ধরন: মিসরীয় আরবি, মরক্কোর আরবি এবং লেবানিজ আরবি। আলবেনিয়ার বহুল প্রচলিত মুখের ভাষা হচ্ছে ইতালিয়ান। খ্রিষ্টজন্মের কয়েক শতকের মধ্যেই হিব্রু ভাষা বিলুপ্ত হয়ে যায়। অষ্টাদশ শতকে বহু উদ্যোগ গ্রহণ করে শিক্ষা ও গবেষণার অঙ্গনে ভাষাটির পুনরুজ্জীবন ঘটানো হয়। লুক্সেমবার্গ দাপ্তরিকভাবেই ত্রিভাষিক শহর: ফ্রেঞ্চ, জার্মান এবং লুক্সেমবার্গিকা। পর্তুগালের মিরান্ডার দাপ্তরিক ভাষা মিরান্ডিজ। ব্রিটেনের জার্সির স্থানীয় ভাষা ইংরেজি নয়, জেরিয়াইস, ফ্রান্সের নরমান্ডির নরমান ভাষার মতো, অনেকটা ফ্রেঞ্চের কাছাকাছি। মরক্কো ও আলজেরিয়া উভয় দেশের দাপ্তরিক ভাষা বার্বার। সুইজারল্যান্ডের দাপ্তরিক ভাষা ৪টি: জার্মান, ফ্রেঞ্চ, ইতালিয়ান এবং রোমাঞ্চ। অ্যান্ডোরাই একমাত্র দেশ, যার একমাত্র দাপ্তরিক ভাষা ক্যাটালান। ফেডারেল যুক্তরাষ্ট্রের কোনো দাপ্তরিক ভাষা নেই। যুক্তরাজ্যেরও নেই। ব্রাজিলের দুটো পৌরসভাতে ইউক্রেনিয়ান ও পর্তুগিজ যৌথভাবে দাপ্তরিক ভাষা। বেলজিয়ামের দাপ্তরিক ভাষা তিনটি: ফ্রেঞ্চ, ডাচ ও জার্মান। রোমাঞ্চ ভাষাগুলোর মধ্যে রয়েছে স্প্যানিশ, পর্তুগিজ, ফ্রেঞ্চ, ইতালিয়ান, রোমানিয়ান, লিগুরিয়ান, কর্সিকান, ক্যাটালান, গ্যালিকান এবং অবশ্যই ল্যাটিন। এর মধ্যে প্রধান পাঁচটি হচ্ছে স্প্যানিশ, পর্তুগিজ, ফ্রেঞ্চ, ইতালিয়ান ও রোমানিয়ান। সর্বাধিক ব্যবহৃত জার্মানিক ভাষা হচ্ছে ইংলিশ, জার্মান ও ডাচ। ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের ভাষা ২৪টি। জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা ছয়টি ইংলিশ, ফ্রেঞ্চ, স্প্যানিশ, রাশান, চায়নিজ ও আরবি। সিরিয়ার উপকূলীয় শহর আল হামিদিয়ার প্রধান ভাষা গ্রিক। ইংলিশ ও স্প্যানিশের পর যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবহৃত তৃতীয় বৃহত্তম জনগোষ্ঠীর ভাষা চায়নিজ। পাকিস্তানের সর্বাধিক জনগণের ভাষা পাঞ্জাবি হলেও রাষ্ট্রভাষা উর্দু। সিঙ্গাপুরে চারটি দাপ্তরিক ভাষা: ইংলিশ, মালয়ান, ম্যান্ডারিন ও তামিল। ২০২১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী লন্ডনে ইংলিশের পর প্রচলিত তিনটি প্রধান ভাষা হচ্ছে রোমানিয়ান, স্প্যানিশ ও পোলিশ।
Published on: 2024-02-21 08:49:24.205758 +0100 CET