The Business Standard বাংলা
গরম বাড়ার সাথে সাথে সাভার-গাজীপুর এলাকায় দিনে ৫–৬ ঘণ্টা লোডশেডিং

গরম বাড়ার সাথে সাথে সাভার-গাজীপুর এলাকায় দিনে ৫–৬ ঘণ্টা লোডশেডিং

তাপমাত্রা বৃদ্ধির মাঝে সাভার, ধামরাই ও গাজীপুর এলাকায় তীব্র লোডশেডিং দেখা দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, দৈনিক পাঁচ–ছয় ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং পাচ্ছেন তারা। এতে তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩-এর সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার মোল্লা মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড কে বলেন, সম্প্রতি তাপমাত্রা বৃদ্ধির পাশাপাশি বিদ্যুতের চাহিদাও বেড়েছে। তিনি বলেন, 'আজ [২ এপ্রিল] দুপুরে আমাদের সর্বোচ্চ ২৮৮ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুতের চাহিদা ছিল, বিপরীতে সরবরাহ ছিল ২২০ মেগাওয়াট। যার কারণে লোডশেডিং দিতে হচ্ছে।' লোডশেডিং এক ঘণ্টার বেশি যেন স্থায়ী না হয়, তারা সে চেষ্টা করছেন বলে জানান এ কর্মকর্তা। সাভার, আশুলিয়া ও ধামরাইয়ের বেশ কিছু এলাকা ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ এর আওতাধীন। অপরদিকে ঢাকা পল্লি বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার মো. মাশফিকুল হাসান টিবিএস কে বলেন, দুপুরের দিকে তাদের চাহিদা ছিল প্রায় ৪০০ মেগাওয়াট, বিপরীতে তারা ৫ শতাংশ পর্যন্ত গড়ে লোডশেডিং পাচ্ছেন। আশুলিয়া ও গাজীপুরের চন্দ্রা, কালিয়াকৈরসহ বেশকিছু এলাকা এ সমিতির আওতাধীন। সাভার ও আশুলিয়ার বাসিন্দারা বলছেন, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এ বছর তুলনামূলকভাবে বেশি লোডশেডিং পাচ্ছেন। আশুলিয়ার ডেন্ডাবর এলাকার বাসিন্দা শামসুজ্জোহা মিঠু টিবিএস কে বলেন, 'গত দুইদিন যাবত ঘণ্টার পর ঘণ্টা লোডশেডিং হচ্ছে। দিন ও রাতের বিভিন্ন ভাগে ৫–৬ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না।' একদিকে প্রচণ্ড গরম, অন্যদিকে লোডশেডিংয়ের কারণে ব্যাপক ভোগান্তি হচ্ছে বলে জানান তিনি। এদিকে শুধু সাধারণ বাসিন্দারাই নন, ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে এ অঞ্চলের শিল্প-কারখানাগুলোর উৎপাদনও ব্যাহত হচ্ছে। হেমায়েতপুরের বিসিক চামড়া শিল্প নগরীর বেশ কয়েকটি ট্যানারির মালিকেরাও দিনের অর্ধেক সময় ধরে বিদ্যুৎ না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন। এ পরিস্থিতিতে কারখানার কার্যক্রম বজায় রাখতে জেনারেটরের ওপর নির্ভর করতে বাধ্য হচ্ছেন জানিয়ে তারা বলেন, এর ফলে উৎপাদন খরচ ২০–৩০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যাচ্ছে, শ্রমিকদের কাজের সময় বেশি লাগছে।
Published on: 2024-04-02 15:11:01.48973 +0200 CEST